শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হল না খুলে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের

করোনাভাইরাসের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সেশনজট নিরসনকল্পে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের স্থগিত সব পরীক্ষা আগামী ১৫ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল না খুলে সশরীরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল না খুলে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

তারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের। যার ফলে অনেকে মহামারি করোনায় অর্থাভাবে দিন কাটাচ্ছে। এসময় হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের বাসা ভাড়া করে থাকতে হবে। কিন্তু বাসা ভাড়া নেওয়ার মতো অনেক শিক্ষার্থীর সামর্থ্য নেই। যার ফলে তারা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আসিফ মাহমুদ সময় সংবাদকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের। করোনা মহামারিতে সবাই যখন চরম অর্থনৈতিক সংকট পার করছে। এসময় হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া করে থাকতে হবে। ফলে ব্যাপক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে শিক্ষার্থীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হল না খুলে ঢাবিতে সশরীরে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত সময় : ১১:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

করোনাভাইরাসের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সেশনজট নিরসনকল্পে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের স্থগিত সব পরীক্ষা আগামী ১৫ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল না খুলে সশরীরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল না খুলে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

তারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের। যার ফলে অনেকে মহামারি করোনায় অর্থাভাবে দিন কাটাচ্ছে। এসময় হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের বাসা ভাড়া করে থাকতে হবে। কিন্তু বাসা ভাড়া নেওয়ার মতো অনেক শিক্ষার্থীর সামর্থ্য নেই। যার ফলে তারা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আসিফ মাহমুদ সময় সংবাদকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের। করোনা মহামারিতে সবাই যখন চরম অর্থনৈতিক সংকট পার করছে। এসময় হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া করে থাকতে হবে। ফলে ব্যাপক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে শিক্ষার্থীরা।