শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০০ টাকা করের ১৯ টাকাই যাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতনে

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বৃহস্পতিবার ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এবারের বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। বাজেটে মোট জিডিপির ১৭.৪৭ শতাংশ। এই বাজেটে ঘাটতি রয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। আর ঘাটতি জিডিপির ৬.২ শতাংশ।

এই ঘাটতি মেটাতে প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত কর আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আরও নতুন নতুন খাত খুঁজে বের করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, আপনার প্রতি ১০০ টাকা কর কোথায় কোথায় খরচ হবে :

করের সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হবে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য মঞ্জুরিতে। সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এই সাহায্য মঞ্জুরি করা হয়। প্রতি ১০০ টাকা করের ১৯.১ টাকা এই খাতে খরচ করা হবে।

করের টাকার দ্বিতীয় শীর্ষ খরচের খাত সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ। নতুন অর্থবছরে করের প্রতি ১০০ টাকার ১৯ টাকাই এই খাতে খরচ করা হবে।

দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে করদাতাদের প্রতি ১০০ টাকায় খরচ করতে হবে ১৮.৭ টাকা। এটি করের অর্থ খরচের তৃতীয় বৃহৎ খাত। করের ১২.৬ খরচ হবে বিভিন্ন ধরনের ভতুর্কি ও প্রণোদনায় যা খরচের চতুর্থ বৃহৎ খাত।

পণ্য ও সেবা খাতে ৯.৯ টাকা এবং পেনশন পরিশোধে ৭.৭ টাকা খরচ হবে। বিভিন্ন সম্পদ সংগ্রহ করতে গিয়ে খরচ হবে করের ৫.৯ টাকা। পাশাপাশি অনুন্নয়ন ব্যয় ৩ টাকা, অপ্রত্যাশিত ব্যয় ও অন্যান্য ২.৮ টাকা এবং বাকী ১.৩ টাকা বিবিধি খাতে খরচ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

১০০ টাকা করের ১৯ টাকাই যাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতনে

প্রকাশিত সময় : ০৮:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বৃহস্পতিবার ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এবারের বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। বাজেটে মোট জিডিপির ১৭.৪৭ শতাংশ। এই বাজেটে ঘাটতি রয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। আর ঘাটতি জিডিপির ৬.২ শতাংশ।

এই ঘাটতি মেটাতে প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত কর আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আরও নতুন নতুন খাত খুঁজে বের করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, আপনার প্রতি ১০০ টাকা কর কোথায় কোথায় খরচ হবে :

করের সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হবে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য মঞ্জুরিতে। সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এই সাহায্য মঞ্জুরি করা হয়। প্রতি ১০০ টাকা করের ১৯.১ টাকা এই খাতে খরচ করা হবে।

করের টাকার দ্বিতীয় শীর্ষ খরচের খাত সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ। নতুন অর্থবছরে করের প্রতি ১০০ টাকার ১৯ টাকাই এই খাতে খরচ করা হবে।

দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে করদাতাদের প্রতি ১০০ টাকায় খরচ করতে হবে ১৮.৭ টাকা। এটি করের অর্থ খরচের তৃতীয় বৃহৎ খাত। করের ১২.৬ খরচ হবে বিভিন্ন ধরনের ভতুর্কি ও প্রণোদনায় যা খরচের চতুর্থ বৃহৎ খাত।

পণ্য ও সেবা খাতে ৯.৯ টাকা এবং পেনশন পরিশোধে ৭.৭ টাকা খরচ হবে। বিভিন্ন সম্পদ সংগ্রহ করতে গিয়ে খরচ হবে করের ৫.৯ টাকা। পাশাপাশি অনুন্নয়ন ব্যয় ৩ টাকা, অপ্রত্যাশিত ব্যয় ও অন্যান্য ২.৮ টাকা এবং বাকী ১.৩ টাকা বিবিধি খাতে খরচ করা হবে।