শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টগর হত্যা মামলার ১৮ আসামি খালাস

টগর হত্যা মামলার ১৮ আসামি খালাস

১৯৯৪ সালে নওগাঁর বদলগাছিতে টগর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৮ আসামিকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ।

বুধবার প্রধান বিচারপতিসহ ৬ বিচারকের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আব্দুর রেজাক খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

তাদের কেন খালাস দেয়া হয়েছে তার তথ্য রায় প্রকাশের পর জানা যাবে বলে জানান বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

মামলার বিবরণি থেকে জানা যায়, ২৭ বছর আগে নওগাঁর কেসাই গ্রামে পুকুরে মাছের পোনা ছাড়াকে কেন্দ্র করে ​টগর নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেন চিকিৎসক নুরুল ইসলাম। এ ঘটনায় চিকিৎসক নুরুল ইসলামসহ তার সহযোগী ১৮ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়।

এরপর এই মামলায় ২০০৫ সালের ১০ জুলাই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মূল আসামি ডা. নুরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। একই সঙ্গে বাকি ১৮ জনকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়।

এরপর ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নুরুল ইসলামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং ১৮ আসামির যাবজ্জীবন সাজা বহাল রাখেন। এরই মধ্যে মারা যান মূল আসামি নুরুল ইসলাম।

আজ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সেই ১৮ আসামিকে খালাস এবং মূল আসামি নুরুল ইসলাম মারা যাওয়ায় তার সাজা অকার্যকর ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টগর হত্যা মামলার ১৮ আসামি খালাস

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

১৯৯৪ সালে নওগাঁর বদলগাছিতে টগর হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৮ আসামিকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ।

বুধবার প্রধান বিচারপতিসহ ৬ বিচারকের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আব্দুর রেজাক খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

তাদের কেন খালাস দেয়া হয়েছে তার তথ্য রায় প্রকাশের পর জানা যাবে বলে জানান বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

মামলার বিবরণি থেকে জানা যায়, ২৭ বছর আগে নওগাঁর কেসাই গ্রামে পুকুরে মাছের পোনা ছাড়াকে কেন্দ্র করে ​টগর নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেন চিকিৎসক নুরুল ইসলাম। এ ঘটনায় চিকিৎসক নুরুল ইসলামসহ তার সহযোগী ১৮ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়।

এরপর এই মামলায় ২০০৫ সালের ১০ জুলাই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মূল আসামি ডা. নুরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। একই সঙ্গে বাকি ১৮ জনকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়।

এরপর ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নুরুল ইসলামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং ১৮ আসামির যাবজ্জীবন সাজা বহাল রাখেন। এরই মধ্যে মারা যান মূল আসামি নুরুল ইসলাম।

আজ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সেই ১৮ আসামিকে খালাস এবং মূল আসামি নুরুল ইসলাম মারা যাওয়ায় তার সাজা অকার্যকর ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।