শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুকুরে বিষ দিয়ে ৫ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মাছ নিধনের খবর পাওয়া গেছে। মালিকের অভিযোগ রাতের বেলায় কেউ পুকুরে বিষ দিয়েছে ফলে মাছগুলো মরে ভেসে উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে আশুলিয়ার গাজিরচট দরগার পাড়া এলাকার রাশেদ ভূঁইয়া ও শাহেদ মীরের লিজকৃত পুকুরে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, মাত্র ছয় মাস আগে দেড় বিঘার পুকুরটিতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছাড়া হয়েছিল। রুই, কাতল, সিলভার কাপ, গ্লাস কাপ, কালবাউশ ও তেলাপিয়া মাছ রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। এই পুকুরটি রাশেদ ভূঁইয়া ও শাহেদ মীর দুজনে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেছেন।

মৎস্যচাষী রাশেদ ভূঁইয়া বলেন, কিছুদিন পরেই মাছগুলো বিক্রি করা যেত। পুকুরে প্রতিদিন খাবার দেওয়া হচ্ছে, পানি টেস্ট করা হচ্ছে, অক্সিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। গতকালও মিটার দিয়ে এমনিয়া টেস্ট করেছি। আজ সকালে মাছগুলো মরে ভেসে উঠতে শুরু করে। আমি এসে দেখি মাছ সব ভেসে উঠছে। পানির ওপর বিষের কিছু নমুনাও পাওয়া যাচ্ছে।

মাছগুলোর আরেক মালিক শাহেদ মীর বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা থানায় অভিযোগ করব।

এ বিষয়ে সাভার উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সরকার ও সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এমএম প্রিয়াংকা ফেরদৌসের মুঠোফোন বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি ভুক্তভোগী রাশেদ ভূঁইয়া তাদের বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলেও জানাতে পারেনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পুকুরে বিষ দিয়ে ৫ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

প্রকাশিত সময় : ০৯:০০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

সাভারের আশুলিয়ায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মাছ নিধনের খবর পাওয়া গেছে। মালিকের অভিযোগ রাতের বেলায় কেউ পুকুরে বিষ দিয়েছে ফলে মাছগুলো মরে ভেসে উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে আশুলিয়ার গাজিরচট দরগার পাড়া এলাকার রাশেদ ভূঁইয়া ও শাহেদ মীরের লিজকৃত পুকুরে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, মাত্র ছয় মাস আগে দেড় বিঘার পুকুরটিতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছাড়া হয়েছিল। রুই, কাতল, সিলভার কাপ, গ্লাস কাপ, কালবাউশ ও তেলাপিয়া মাছ রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। এই পুকুরটি রাশেদ ভূঁইয়া ও শাহেদ মীর দুজনে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেছেন।

মৎস্যচাষী রাশেদ ভূঁইয়া বলেন, কিছুদিন পরেই মাছগুলো বিক্রি করা যেত। পুকুরে প্রতিদিন খাবার দেওয়া হচ্ছে, পানি টেস্ট করা হচ্ছে, অক্সিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। গতকালও মিটার দিয়ে এমনিয়া টেস্ট করেছি। আজ সকালে মাছগুলো মরে ভেসে উঠতে শুরু করে। আমি এসে দেখি মাছ সব ভেসে উঠছে। পানির ওপর বিষের কিছু নমুনাও পাওয়া যাচ্ছে।

মাছগুলোর আরেক মালিক শাহেদ মীর বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা থানায় অভিযোগ করব।

এ বিষয়ে সাভার উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সরকার ও সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এমএম প্রিয়াংকা ফেরদৌসের মুঠোফোন বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি ভুক্তভোগী রাশেদ ভূঁইয়া তাদের বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলেও জানাতে পারেনি।