রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের প্রভাবে দেশে খাদ্য সঙ্কট হবে না: কৃষিমন্ত্রী

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে দেশে খাদ্য সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। আমাদের এখন খাদ্যশস্যের সর্বোচ্চ মজুত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশে ফসলের উৎপাদন ভাল। এছাড়া, এপ্রিলের ১৫ তারিখ থেকেই নতুন চাল আসবে। কাজেই, সব মিলিয়ে আমাদের কোনো মেজর প্রবলেম হবে না। কোনো খাদ্য সংকট, হাহাকার এ রকম কিছু হবে না।

বুধবার ( ৯ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করার সময় এ কথা বলেন তিনি।ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যের ওপর পড়বে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব দেশে দ্রব্যমূল্যের উপর কিছুটা পড়েছে।’

বৈঠকে কিউ দোংয়ু জানান, বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এফএও কাজ করবে। এ বছর অক্টোবরে এফএও বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করবে। সেখানে তারা অন্যান্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও দাতা সংস্থাকে বাংলাদেশের কৃষিখাতের উন্নয়নে ও কৃষি খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর করতে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করবে।

এ সময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কৃষিখাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বারিড পাইপ (ভূগর্ভস্থ লাইন) দিয়ে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে চাই। আমরা উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে নতুন উদ্ভাবিত ফসলের জাতের সম্প্রসারণ করতে যাচ্ছি। পাহাড়ি এলাকায় উচ্চ মূল্যের ফসলের চাষ আরও বাড়াতে চাই। এছাড়া, কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাত করে ভ্যালু অ্যাড ও রপ্তানি করতে চাই। এসব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ প্রয়োজন।’

এর আগে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক কিউ দোংয়ুর সঙ্গে বৈঠক করেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। বৈঠক শেষে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যুদ্ধের প্রভাবে দেশে খাদ্য সঙ্কট হবে না: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে দেশে খাদ্য সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। আমাদের এখন খাদ্যশস্যের সর্বোচ্চ মজুত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশে ফসলের উৎপাদন ভাল। এছাড়া, এপ্রিলের ১৫ তারিখ থেকেই নতুন চাল আসবে। কাজেই, সব মিলিয়ে আমাদের কোনো মেজর প্রবলেম হবে না। কোনো খাদ্য সংকট, হাহাকার এ রকম কিছু হবে না।

বুধবার ( ৯ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করার সময় এ কথা বলেন তিনি।ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যের ওপর পড়বে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব দেশে দ্রব্যমূল্যের উপর কিছুটা পড়েছে।’

বৈঠকে কিউ দোংয়ু জানান, বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এফএও কাজ করবে। এ বছর অক্টোবরে এফএও বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করবে। সেখানে তারা অন্যান্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও দাতা সংস্থাকে বাংলাদেশের কৃষিখাতের উন্নয়নে ও কৃষি খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর করতে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করবে।

এ সময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কৃষিখাতের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বারিড পাইপ (ভূগর্ভস্থ লাইন) দিয়ে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে চাই। আমরা উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে নতুন উদ্ভাবিত ফসলের জাতের সম্প্রসারণ করতে যাচ্ছি। পাহাড়ি এলাকায় উচ্চ মূল্যের ফসলের চাষ আরও বাড়াতে চাই। এছাড়া, কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাত করে ভ্যালু অ্যাড ও রপ্তানি করতে চাই। এসব ক্ষেত্রে বিনিয়োগ প্রয়োজন।’

এর আগে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক কিউ দোংয়ুর সঙ্গে বৈঠক করেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। বৈঠক শেষে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।