বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুরগি উৎপাদনেও সফল বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয়

দেশে বেড়েছে মুরগি উৎপাদন। এতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত অর্থবছরে খামারে উৎপাদিত মুরগির সংখ্যা ৩৭ কোটি ৫৬ লাখ ছাড়ায়। তারও আগের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে দেশে ৩৬ কোটি ৫৮ লাখ মুরগি উৎপাদিত হয়।

দক্ষিণ এশিয়ায় মুরগি উৎপাদন ও বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি গবেষণা করেছে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার সেন্টার (এসএসি)। চলতি মাসে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের উৎপাদনকে বিবেচনায় নিয়ে গবেষণাটি করা হয়। তাতে বাংলাদেশের এ চিত্র উপস্থাপিত হয়েছে। যদিও পরের দুই অর্থবছরে বাংলাদেশে মুরগি উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পোলট্রি খাত দেশের কর্মসংস্থান ছাড়াও পুষ্টি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এই খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৬০ লাখ লোক যুক্ত আছে। ছোট-বড় মিলিয়ে বিনিয়োগ আছে ৩৫ হাজার কোটি টাকার।

আরও বলা হয়, রাজধানী ঢাকার আশপাশের জেলা বিশেষ করে গাজীপুরে ব্যাপক হারে মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। তবে এগুলো সব ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামার। দেশের উত্তরবঙ্গেও মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। এর বড় অংশই বৃহৎ বাণিজ্যিক বিনিয়োগ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট ২৭৬ কোটি ৫৫ লাখ তিন হাজার ৭১১টি মুরগির উৎপাদন হয়েছে। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান, উৎপাদন হয়েছে ১৪৪ কোটি ৩৪ লাখ ৬০ হাজার মুরগি। দ্বিতীয় ভারত, উৎপাদন ৮৫ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার। এ ছাড়া নেপালে সাত কোটি ৬১ লাখ ২৫ হাজার ৭৩০, শ্রীলঙ্কায় দুই কোটি ৪২ লাখ ৯১ হাজার ৮৪০ মুরগি উৎপাদন হয়েছে। মুরগি উৎপাদনে এর পরেই আছে আফগানিস্তান, ভুটান ও মালদ্বীপ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

মুরগি উৎপাদনেও সফল বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয়

প্রকাশিত সময় : ১১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২

দেশে বেড়েছে মুরগি উৎপাদন। এতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত অর্থবছরে খামারে উৎপাদিত মুরগির সংখ্যা ৩৭ কোটি ৫৬ লাখ ছাড়ায়। তারও আগের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে দেশে ৩৬ কোটি ৫৮ লাখ মুরগি উৎপাদিত হয়।

দক্ষিণ এশিয়ায় মুরগি উৎপাদন ও বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি গবেষণা করেছে সার্ক অ্যাগ্রিকালচার সেন্টার (এসএসি)। চলতি মাসে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের উৎপাদনকে বিবেচনায় নিয়ে গবেষণাটি করা হয়। তাতে বাংলাদেশের এ চিত্র উপস্থাপিত হয়েছে। যদিও পরের দুই অর্থবছরে বাংলাদেশে মুরগি উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পোলট্রি খাত দেশের কর্মসংস্থান ছাড়াও পুষ্টি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এই খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৬০ লাখ লোক যুক্ত আছে। ছোট-বড় মিলিয়ে বিনিয়োগ আছে ৩৫ হাজার কোটি টাকার।

আরও বলা হয়, রাজধানী ঢাকার আশপাশের জেলা বিশেষ করে গাজীপুরে ব্যাপক হারে মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। তবে এগুলো সব ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামার। দেশের উত্তরবঙ্গেও মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। এর বড় অংশই বৃহৎ বাণিজ্যিক বিনিয়োগ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট ২৭৬ কোটি ৫৫ লাখ তিন হাজার ৭১১টি মুরগির উৎপাদন হয়েছে। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান, উৎপাদন হয়েছে ১৪৪ কোটি ৩৪ লাখ ৬০ হাজার মুরগি। দ্বিতীয় ভারত, উৎপাদন ৮৫ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার। এ ছাড়া নেপালে সাত কোটি ৬১ লাখ ২৫ হাজার ৭৩০, শ্রীলঙ্কায় দুই কোটি ৪২ লাখ ৯১ হাজার ৮৪০ মুরগি উৎপাদন হয়েছে। মুরগি উৎপাদনে এর পরেই আছে আফগানিস্তান, ভুটান ও মালদ্বীপ।