সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদার তেরেসার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মানবতাবাদী মহীয়সী নারী মাদার তেরেসার মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পারিবারিক নাম অ্যাগনেস গনজা বয়াজু। সন্ন্যাসজীবনে তেরেসা নামটি নেওয়া হয়। 

মাদার তেরেসার জন্ম ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট মেসিডোনিয়ার রাজধানী স্কোপিয়েতে। তবে তিনি সন্ন্যাসজীবন গ্রহণের তারিখ ২৭ আগস্টকেই জন্মদিন মানতেন।  আট বছর বয়সে রাজনীতিবিদ বাবার মৃত্যু হয় এবং মা তাকে রোমান ক্যাথলিক আদর্শে বড় করবেন বলে ঠিক করেন।  মিশনারিদের ভালো লাগায় তেরেসা ১২ বছর বয়সে ধর্মীয় জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮ বছর বয়সে তিনি ‘সিস্টার্স অব লরেটো’ সংস্থায় যুক্ত হন। পরের বছর সংগঠন তাকে ধর্মসেবার কাজে ভারতে পাঠায়। ১৯৩১ সালে প্রথম, তারপর ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কনভেন্ট স্কুলে পড়ানোর সময় চূড়ান্তভাবে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। 

১৯৪৮ সালের ১৭ আগস্ট কনভেন্ট ছেড়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন, ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য হাত পাতেন দ্বারে দ্বারে। ১৯৫০ সালে গড়েন ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’। 

একাত্তর সালে বাংলাদেশে এসে তিনি নির্যাতিত নারী ও অনাথ শিশুদের জন্য গড়ে তোলেন চ্যারিটি মিশন। এসেছিলেন ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ের পরও। ১৯৭৯ সালে তাকে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

মাদার তেরেসার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত সময় : ১১:৩৭:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

মানবতাবাদী মহীয়সী নারী মাদার তেরেসার মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পারিবারিক নাম অ্যাগনেস গনজা বয়াজু। সন্ন্যাসজীবনে তেরেসা নামটি নেওয়া হয়। 

মাদার তেরেসার জন্ম ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট মেসিডোনিয়ার রাজধানী স্কোপিয়েতে। তবে তিনি সন্ন্যাসজীবন গ্রহণের তারিখ ২৭ আগস্টকেই জন্মদিন মানতেন।  আট বছর বয়সে রাজনীতিবিদ বাবার মৃত্যু হয় এবং মা তাকে রোমান ক্যাথলিক আদর্শে বড় করবেন বলে ঠিক করেন।  মিশনারিদের ভালো লাগায় তেরেসা ১২ বছর বয়সে ধর্মীয় জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮ বছর বয়সে তিনি ‘সিস্টার্স অব লরেটো’ সংস্থায় যুক্ত হন। পরের বছর সংগঠন তাকে ধর্মসেবার কাজে ভারতে পাঠায়। ১৯৩১ সালে প্রথম, তারপর ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কনভেন্ট স্কুলে পড়ানোর সময় চূড়ান্তভাবে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। 

১৯৪৮ সালের ১৭ আগস্ট কনভেন্ট ছেড়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন, ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য হাত পাতেন দ্বারে দ্বারে। ১৯৫০ সালে গড়েন ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’। 

একাত্তর সালে বাংলাদেশে এসে তিনি নির্যাতিত নারী ও অনাথ শিশুদের জন্য গড়ে তোলেন চ্যারিটি মিশন। এসেছিলেন ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ের পরও। ১৯৭৯ সালে তাকে শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয়।