শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ বিশ্ব ডিম দিবস

আজ শুক্রবার বিশ্বের নানা প্রান্তে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস। এ বছর দিবসটির মূল ভাবনা— “শক্তি ও পুষ্টিতে ভরপুর ডিম”। দিবসটি ঘিরে বাংলাদেশসহ অনেক দেশে ডিমের পুষ্টিগুণ ও এর গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম এমন একটি খাবার যাতে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পুষ্টি উপাদানই রয়েছে। সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী এই খাদ্যটি শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সের মানুষের সুস্থতায় ভূমিকা রাখে।

পৃথিবীর যে কয়েকটি খাবারকে ‘সুপার ফুড’ বলা হয়, ডিম তার একটি। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি ব্যক্তি বছরে গড়ে প্রায় একশ ছত্রিশটি ডিম পায়

শুধু পুষ্টির দিক দিয়েই নয়, ডিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রান্না ও খাদ্য সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও পরিচিত।

এ বছর দিবসটি ঘিরে আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড এগ অর্গানাইজেশন (WEO) ও ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (IEC) নানা আয়োজন করছে। কানাডায় খামারিদের অবদানকে সম্মান জানাতে জাতীয় প্রচারণা চলছে; ফ্রান্সে স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ভারতের নাগপুর ভেটেরিনারি কলেজের পোলট্রি সায়েন্স বিভাগ পাঁচ হাজার একটি ডিম ব্যবহার করে নতুন রেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় খামারিদের সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার করলে দেশে ডিম উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব। এতে পুষ্টিঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে এই খাবারটি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন ১৯৬৪ সালে বিশ্বব্যাপী ডিমের মানোন্নয়ন ও জনপ্রিয়করণের উদ্যোগ নেয়। তাদের উদ্যোগেই ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আজ বিশ্ব ডিম দিবস

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

আজ শুক্রবার বিশ্বের নানা প্রান্তে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস। এ বছর দিবসটির মূল ভাবনা— “শক্তি ও পুষ্টিতে ভরপুর ডিম”। দিবসটি ঘিরে বাংলাদেশসহ অনেক দেশে ডিমের পুষ্টিগুণ ও এর গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম এমন একটি খাবার যাতে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পুষ্টি উপাদানই রয়েছে। সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী এই খাদ্যটি শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সের মানুষের সুস্থতায় ভূমিকা রাখে।

পৃথিবীর যে কয়েকটি খাবারকে ‘সুপার ফুড’ বলা হয়, ডিম তার একটি। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি ব্যক্তি বছরে গড়ে প্রায় একশ ছত্রিশটি ডিম পায়

শুধু পুষ্টির দিক দিয়েই নয়, ডিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রান্না ও খাদ্য সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও পরিচিত।

এ বছর দিবসটি ঘিরে আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড এগ অর্গানাইজেশন (WEO) ও ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (IEC) নানা আয়োজন করছে। কানাডায় খামারিদের অবদানকে সম্মান জানাতে জাতীয় প্রচারণা চলছে; ফ্রান্সে স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ভারতের নাগপুর ভেটেরিনারি কলেজের পোলট্রি সায়েন্স বিভাগ পাঁচ হাজার একটি ডিম ব্যবহার করে নতুন রেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় খামারিদের সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার করলে দেশে ডিম উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব। এতে পুষ্টিঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে এই খাবারটি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন ১৯৬৪ সালে বিশ্বব্যাপী ডিমের মানোন্নয়ন ও জনপ্রিয়করণের উদ্যোগ নেয়। তাদের উদ্যোগেই ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস।