শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিনির দাম বাড়ছে কেজিতে ২৫ টাকা

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৯ জুন) এই প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে মিল মালিকরা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ২২ জুন থেকে কেজিপ্রতি খোলা চিনি ১৪০ টাকা ও প্যাকেট চিনি ১৫০ টাকা নির্ধারণের বিষয়ে জানানো হয়েছে। সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য সচিব বরাবর ওই চিঠি পাঠানো হয়। বর্তমানে প্রতিকেজি খোলা চিনি ১২০ টাকা ও প্যাকেট চিনি ১২৫ টাকা নির্ধারিত আছে। তবে সরকার নির্ধারিত এই দাম ব্যবসায়ীরা মানছেন না। বাজারে কেজিপ্রতি চিনি ১৩০ টাকা থেকে ১৪০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ভোজ্যতেল, চিনিসহ আরও কয়েকটি আমদানি পণ্যের দাম বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে সরকার। দামের অস্থিরতার মধ্যে ব্যবসায়ীরা সম্প্রতি সরকারের দ্বারস্থ হয়ে দাম বৃদ্ধির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এখন নিজেদের সিদ্ধান্তেই দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাণিজ্য সচিবের বরাবর পাঠানো চিঠির ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় দেশের বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি করতে গিয়ে কোম্পানিগুলো ‘লোকসানের মুখে পড়ছে’। এর আগে গত ৬ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছিল মিল মালিকরা। সে অনুযায়ী ২২ জুন থেকে চিনির দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশে সিটি গ্রুপ, দেশবন্ধু গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, আব্দুল মোনেম গ্রুপ ও টিকে গ্রুপ তেল ও চিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চিনির দাম বাড়ছে কেজিতে ২৫ টাকা

প্রকাশিত সময় : ১০:১৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৯ জুন) এই প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে মিল মালিকরা। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ২২ জুন থেকে কেজিপ্রতি খোলা চিনি ১৪০ টাকা ও প্যাকেট চিনি ১৫০ টাকা নির্ধারণের বিষয়ে জানানো হয়েছে। সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য সচিব বরাবর ওই চিঠি পাঠানো হয়। বর্তমানে প্রতিকেজি খোলা চিনি ১২০ টাকা ও প্যাকেট চিনি ১২৫ টাকা নির্ধারিত আছে। তবে সরকার নির্ধারিত এই দাম ব্যবসায়ীরা মানছেন না। বাজারে কেজিপ্রতি চিনি ১৩০ টাকা থেকে ১৪০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ভোজ্যতেল, চিনিসহ আরও কয়েকটি আমদানি পণ্যের দাম বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে সরকার। দামের অস্থিরতার মধ্যে ব্যবসায়ীরা সম্প্রতি সরকারের দ্বারস্থ হয়ে দাম বৃদ্ধির চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এখন নিজেদের সিদ্ধান্তেই দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাণিজ্য সচিবের বরাবর পাঠানো চিঠির ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় দেশের বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি করতে গিয়ে কোম্পানিগুলো ‘লোকসানের মুখে পড়ছে’। এর আগে গত ৬ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছিল মিল মালিকরা। সে অনুযায়ী ২২ জুন থেকে চিনির দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশে সিটি গ্রুপ, দেশবন্ধু গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, আব্দুল মোনেম গ্রুপ ও টিকে গ্রুপ তেল ও চিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।