ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি কোম্পানির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম চলতি মাসের জন্য ১৪১ টাকা বাড়িয়ে ১১৪০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।
গত মাসে এ দাম ছিল ৯৯৯ টাকা।
একইভাবে প্রতি কেজি এলপিজির দর ৯৪.৯৬ টাকা হিসেবে সাড়ে ৫ থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি ওজন পর্যন্ত সব সিলিন্ডারের দামও বেড়েছে।
অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম লিটার প্রতি ৪৬.৪৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫২.১৭ টাকা করা হয়েছে। তবে সরকারি কোম্পানির সরবরাহকৃত সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম আগের ৫৯১ টাকাই রয়েছে। যদিও এই এলপিজি সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে।
বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ এনার্জী রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দর ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, ড. মো. হেলাল উদ্দিন, আবুল খায়ের মো. আমিনুর রহমান, বিইআরসির সচিব ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান খান প্রমুখ।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এ মূল্য বিবেচনায় নিয়ে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। যদিও কমিশন নির্ধারিত দামে বাজারে এলপিজি পাওয়া যায় না। দাম বৃদ্ধি-হ্রাস যাই হোক না কেন বিক্রেতারা তাদের ইচ্ছেমতো দাম আদায় করেন ক্রেতার কাছ থেকে। দীর্ঘদিন ধরে আবাসিকে প্রাকৃতিক গ্যাস লাইনের সংযোগ বন্ধ থাকায় রাজধানীর পাশাপাশি বিভিন্ন শহর ও গ্রামে বিপুলসংখ্যক মানুষ এলপিজির ওপর নির্ভরশীল।
নির্ধারিত দামে বাজারে এলপিজি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না, এমন অভিযোগের বিষয়ে কমিশন বরাবরের মতো এবারও জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গত মাসেও বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























