কথাসাহিত্যিক সাদাত হোসাইন বলেন, ‘এই ধরনের নির্বিচারে গুলি, হত্যা কেন চলে আসবে এবং সেটির প্রতিবাদ করা যাবে না, বিচার চাওয়া যাবে না। সেটি কেন হবে?’
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাংলামোটর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের গেইটে ‘বিক্ষুব্ধ কবি লেখক সমাজ’ -এর ব্যানারে এক সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যে চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, যে স্বাধীনতার স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় আমরা নাগরিক অধিকার নিয়ে বসবাস করতে চেয়েছিলাম, তা ক্রমশই হারিয়ে যাচ্ছে, গেছে। এখন আমরা এমন এক স্বাধীন, গণতান্ত্রিক দেশে বাস করি যেখানে কথা বলতে ভয় পাই, লিখতে ভয় পাই, আমাদের দাবি জানাতে ভয় পাই। এই গণতন্ত্রে শাসকদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যাবে না। তাদের সমালোচনা করা যাবে না। এ কেমন স্বাধীনতা? এই স্বাধীনতা কিংবা গণতন্ত্র যেন সেই প্রবাদের মতো, কাজীর গরু, যা কেবল কিতাবে আছে, কিন্তু গোয়ালে নেই… এমনতো চলতে পারে না। ছাত্ররা তাদের ন্যয়সঙ্গত দাবি করতে পারবে না? এইজন্য তাদের গুলি করতে হবে? সেই হত্যার বিচার চাওয়া যাবে না? তাহলে নির্বিচারে গণগ্রেফতার করা হবে? এ কেমন দেশ? এ কেমন স্বাধীনতা? এমন কেন হবে? আমরা সংবেদনশীল, মানবিক মানুষ হিসেবেই এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সারাদেশে হত্যা, নির্যাতন, আটক, গ্রেপ্তার, মামলা ও হামলার প্রতিবাদে ‘বিক্ষুব্ধ কবি লেখক সমাজ’ -এর ব্যানারে সমাবেশ করেন লেখক, কবি ও সাহিত্যিকরা। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন গীতিকার শহীদুল্লাহ্ ফরায়েজী, অধ্যাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, কবি টোকন ঠাকুর, মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন, কথাসাহিত্যিক আশরাফ জুয়েল, সাদাত হোসাইন, কিংকর আহসান, রকিব লিখন, নিমুগ্ন দুপুর, পথিক রানা, ফরিদুল ইসলাম নির্জন, ফারুক খান, তানিয়া সুলতানা, তানজিম তানিম, নাহিদ যাযাবর, কবি বকুল আশরাফ, কবি আহমেদ মাহমুদ স্বপন, কবি কাজল শাহনেওয়াজ, গবেষক সরোজ মেহেদী, ফটোগ্রাফার সুদীপ্ত সালাম, কবি আবিদ আজম, কবি ইমরান মাহফুজ, কবি মাহফুজা অনন্যা, কবি জব্বার আল নাঈম, সাংবাদিক এহসান মাহমুদ, কবি পলিয়ার ওয়াহিদ, কবি নকিব মুকসি, সাংবাদিক রাফসান গালিব, কথাসাহিত্যিক মানজুলুল হক, রাব্বি আহমেদ, রাসেল আহমেদ, রিয়াজ ইনসান, সালমান হাবিব।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























