শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলমান যে কোনো প্রকল্প বাতিল হতে পারে

রাজনৈতিক সরকারের মতো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রকল্প আর থাকবে না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। আজ সোমবার এক বৈঠকে পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সরকারের আমলে অনেক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রকল্প থাকে। এখন এসব আর থাকবে না। নতুন যে প্রকল্প কতগুলো আসবে, সেগুলো একনেকে যাওয়ার আগে আপনাদের বিচার-বিবেচনা করে দেখতে হবে।’

পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি এখন অনেক বেশি। আমাদের খরচ কমাতে হবে। প্রকল্প গ্রহণে সেসব বিবেচনা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা বড় বিষয়। প্রত্যেক প্রকল্প যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। এখন যে প্রকল্প আছে, এখানে অনেক বিশৃঙ্খলা আছে। অনেক প্রকল্প শুরু হয়নি, কিছু শুরু হয়েছে, আবার যাচাই-বাছাই করতে হবে।’

প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা প্রকল্পগুলো দ্রুত মূল্যায়ন করে যে প্রকল্পে লাভ হবে না, সেটি বাদ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সরকারের অনেক বড় বড় দুর্নীতি আছে, যেটা নকশা পরিবর্তন করতে হয়, ব্যয় বাড়াতে হয়, এগুলো বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে। দেশীয় ঠিকাদারের রাজনৈতিক প্রভাব আছে। এটা যাতে না হয়। সবগুলো আমাদের দেখতে হবে। আমরা যেভাবে এগুচ্ছি, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির মাপকাঠি জিডিপি। অথচ কর্মসংস্থান বাড়ানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জিডিপি বাড়ানো জরুরি নয়।’

এছাড়া বড় বড় প্রকল্পগুলোর ব্যয় কেন বাড়ে, তা নিয়ে একটি ডকুমেন্ট করতে চান বলেও উল্লেখ করেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চলমান যে কোনো প্রকল্প বাতিল হতে পারে

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

রাজনৈতিক সরকারের মতো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রকল্প আর থাকবে না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। আজ সোমবার এক বৈঠকে পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সরকারের আমলে অনেক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রকল্প থাকে। এখন এসব আর থাকবে না। নতুন যে প্রকল্প কতগুলো আসবে, সেগুলো একনেকে যাওয়ার আগে আপনাদের বিচার-বিবেচনা করে দেখতে হবে।’

পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি এখন অনেক বেশি। আমাদের খরচ কমাতে হবে। প্রকল্প গ্রহণে সেসব বিবেচনা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা বড় বিষয়। প্রত্যেক প্রকল্প যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। এখন যে প্রকল্প আছে, এখানে অনেক বিশৃঙ্খলা আছে। অনেক প্রকল্প শুরু হয়নি, কিছু শুরু হয়েছে, আবার যাচাই-বাছাই করতে হবে।’

প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা প্রকল্পগুলো দ্রুত মূল্যায়ন করে যে প্রকল্পে লাভ হবে না, সেটি বাদ দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সরকারের অনেক বড় বড় দুর্নীতি আছে, যেটা নকশা পরিবর্তন করতে হয়, ব্যয় বাড়াতে হয়, এগুলো বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে। দেশীয় ঠিকাদারের রাজনৈতিক প্রভাব আছে। এটা যাতে না হয়। সবগুলো আমাদের দেখতে হবে। আমরা যেভাবে এগুচ্ছি, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির মাপকাঠি জিডিপি। অথচ কর্মসংস্থান বাড়ানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জিডিপি বাড়ানো জরুরি নয়।’

এছাড়া বড় বড় প্রকল্পগুলোর ব্যয় কেন বাড়ে, তা নিয়ে একটি ডকুমেন্ট করতে চান বলেও উল্লেখ করেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।