রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন সূচক

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস শনিবার (২৪ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এমন পতনের ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক করোনা মহামারির সময়ের মতো অবস্থায় নেমে এসেছে, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে সর্বশেষ ২০২০ সালের ১৮ আগস্ট ডিএসইর সূচক আজকের তুলনায় কম ছিল। ওই দিন ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৪ হাজার ৭২০ পয়েন্টে।

শনিবার ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন বাড়লেও সিএসইতে কমেছে। উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৮.৬৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭৪৬ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯.৬৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৭ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২৩.৮০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৭৪টি কোম্পানির, কমেছে ২৭১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫২টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ২৭৮ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২৫৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৪.১৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ১১৯ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯১.৫৪ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ২৯৩ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৬.১৯ পয়েন্ট কমে ৮৫৫ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৭৮.৬০ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৩৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ১৮১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৫৬টি কোম্পানির, কমেছে ৯৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩০টির।

সিএসইতে ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন সূচক

প্রকাশিত সময় : ০৫:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস শনিবার (২৪ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এমন পতনের ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক করোনা মহামারির সময়ের মতো অবস্থায় নেমে এসেছে, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে সর্বশেষ ২০২০ সালের ১৮ আগস্ট ডিএসইর সূচক আজকের তুলনায় কম ছিল। ওই দিন ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৪ হাজার ৭২০ পয়েন্টে।

শনিবার ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন বাড়লেও সিএসইতে কমেছে। উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৮.৬৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭৪৬ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯.৬৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৭ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২৩.৮০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৭৪টি কোম্পানির, কমেছে ২৭১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫২টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ২৭৮ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২৫৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৪.১৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ১১৯ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯১.৫৪ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ২৯৩ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৬.১৯ পয়েন্ট কমে ৮৫৫ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৭৮.৬০ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৩৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ১৮১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৫৬টি কোম্পানির, কমেছে ৯৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩০টির।

সিএসইতে ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।