চাঁদপুরে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুল্যান্সে মানসিক ভারসাম্যহীন এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত অ্যাম্বুল্যান্স চালক মুরাদ হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার গাছতলা এলাকায় থেমে থাকা আঞ্জুমান নামে একটি অ্যাম্বুল্যান্সে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে, মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি জানান, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, প্রায় ২৪ বছরের মানসিক ভারসাম্যহীন ওই তরুণী সড়কে ঘোরাঘুরি করছিলেন। এসময় তাকে একা পেয়ে অ্যাম্বুল্যান্স চালক তার খালি গাড়িতে তুলে নেয়। একপর্যায়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার গাছতলার নির্জন এলাকায় নিয়ে এসে অ্যাম্বুল্যান্সের ভেতর ধর্ষণ করে।
তবে শেষ রক্ষা হয়নি অ্যাম্বুল্যান্স চালক ধর্ষক মুরাদ হোসেনের (৩০)। চাঁদপুর শহরের প্রফেসরপাড়ার বাসিন্দা মোস্তফা বেপারীর ছেলে অ্যাম্বুল্যান্স চালক মুরাদ হোসেন। ঘটনার দিন পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে টহল পুলিশের নজরে পড়ে থেমে থাকা অ্যাম্বুল্যান্সের দিকে। এসময় সহকারী উপপরিদর্শক এবাদুল হক সেই অ্যাম্বুল্যান্সে তল্লাশি চালিয়ে চালক ও মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণীকে হাতেনাতে আটক করেন।
ভুক্তভোগী তরুণীর এক আত্মীয় জানান, মানসিক সমস্যার পর থেকে বাড়ির কাউকে কিছু না বলে যখন তখন তরুণী এদিক সেদিক চলে যায়। একইভাবে শুক্রবারও বাড়ি থেকে চলে যায়। তারপরই শনিবার ভোরে আমাদের কাছে খবর আসে। তাকে সর্বনাশ করা হয়েছে। চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ জানায়, রবিবার অভিযুক্ত চালক মুরাদ হোসেনকে আদালতে তোলা হবে। তবে এরইমধ্যে চালক তরুণীকে ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছেন।

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























