শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘আগে গুলি পরে প্রশ্ন’

গ্রিনল্যান্ডে যেকোনো আক্রমণের জবাব ডেনিশ সেনারা তাৎক্ষণিকভাবে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দেবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য তার প্রচেষ্টা পুনর্নবীকরণ করার পর এই মন্তব্যটি এসেছে। তিনি বলেছেন যে আর্কটিক দ্বীপ অধিগ্রহণের লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমেরিকা যে বিকল্পগুলো বিবেচনা করছে তার মধ্যে ‘সামরিক শক্তি’ অন্যতম।

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে সেনাদের প্রথমে গুলি করতে হবে এবং পরে প্রশ্ন করতে হবে। ১৯৫২ সালের সেনাবাহিনীর যুদ্ধের নিয়ম অনুসারে, সেনাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আদেশের অপেক্ষা না করে আক্রমণকারীদের ওপর হামলা চালাতে হবে।

 

মন্ত্রণালয় ডেনিশ সংবাদমাধ্যম বার্লিংস্কেকে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বীপ দখলের বারবার হুমকির জবাব কীভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে ইউরোপীয় নেতারা যখন বিতর্ক করছেন, তখন শীতল যুদ্ধের যুগের একটি নিয়ম বলবৎ রয়েছে এবং এটি বলবৎ থাকবে।

১৯৫২ সালের নিয়মে বলা হয়েছে, আক্রমণের ক্ষেত্রে বাহিনীকে ‘আদেশের অপেক্ষা না করে বা আদেশ না চেয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে, এমনকি যদি সংশ্লিষ্ট কমান্ডাররা যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধের অবস্থা সম্পর্কে অবগত নাও হন।’

 

এর আগে সোমবার ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ডে যেকোনো মার্কিন হামলার অর্থ হবে ন্যাটো জোটের সমাপ্তি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

‘আগে গুলি পরে প্রশ্ন’

প্রকাশিত সময় : ০৪:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রিনল্যান্ডে যেকোনো আক্রমণের জবাব ডেনিশ সেনারা তাৎক্ষণিকভাবে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দেবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য তার প্রচেষ্টা পুনর্নবীকরণ করার পর এই মন্তব্যটি এসেছে। তিনি বলেছেন যে আর্কটিক দ্বীপ অধিগ্রহণের লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমেরিকা যে বিকল্পগুলো বিবেচনা করছে তার মধ্যে ‘সামরিক শক্তি’ অন্যতম।

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে সেনাদের প্রথমে গুলি করতে হবে এবং পরে প্রশ্ন করতে হবে। ১৯৫২ সালের সেনাবাহিনীর যুদ্ধের নিয়ম অনুসারে, সেনাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আদেশের অপেক্ষা না করে আক্রমণকারীদের ওপর হামলা চালাতে হবে।

 

মন্ত্রণালয় ডেনিশ সংবাদমাধ্যম বার্লিংস্কেকে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বীপ দখলের বারবার হুমকির জবাব কীভাবে দেওয়া হবে তা নিয়ে ইউরোপীয় নেতারা যখন বিতর্ক করছেন, তখন শীতল যুদ্ধের যুগের একটি নিয়ম বলবৎ রয়েছে এবং এটি বলবৎ থাকবে।

১৯৫২ সালের নিয়মে বলা হয়েছে, আক্রমণের ক্ষেত্রে বাহিনীকে ‘আদেশের অপেক্ষা না করে বা আদেশ না চেয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে, এমনকি যদি সংশ্লিষ্ট কমান্ডাররা যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধের অবস্থা সম্পর্কে অবগত নাও হন।’

 

এর আগে সোমবার ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ডে যেকোনো মার্কিন হামলার অর্থ হবে ন্যাটো জোটের সমাপ্তি।