শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারী-পুরুষের সমতা নিয়ে যা বললেন মিথিলা

গত বছর ডক্টর উপাধি পেয়ে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সম্প্রতি তিনি উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর একটি অনুষ্ঠানে এসে নারী-পুরুষের সমতা ও শিশুর মেধা বিকাশ নিয়ে কথা বলেন।

সেই শোতে অতিথি হয়েছিলেন গুণী অভিনয় শিল্পী ত্রপা মজুমদার ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সেখানে দুজনকেই বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন করা হয়। দুজনই নিজেদের জীবনের আলোকে খোলামেলা উত্তর দেন।


সামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীরা একটু উচ্চ পদবী পেলে সবাই বাঁকা চোখে তাকাই; এই বিষয়টি নিয়ে মিথিলা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রথমত আমাদের কাজের বিভাজনটাকে দূর করতে হবে। এটা নারীর কাজ ওটা পুরুষের কাজ এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’


পরিবার থেকে শেখাতে হবে নারী-পুরুষের কাজ বলে কিছু নেই। দুজনকেই যদি সমান অগ্রাধিকার দেয়া হয় তাহলে বাইরের বিভাজনটা অনেকাংশে কমে যাবে বলে জানালেন মিথিলা।
 

মিথিলার মতে, একজন নারী ঘরে যে পরিমাণ সময়-শ্রম দেন তার কোনো আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা হয় না। আবার বাইরে কাজ করেও কিন্তু ঘরটাও সমানভাবে সামলাতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী যদি পারস্পারিক সহমর্মিতার জায়গা থেকে এগিয়ে আসে তাহলে কাজগুলো সহজ হয়ে যায়।
 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে প্রথম বিভাগ নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। পরবর্তীকালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয়বারের মতো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন তিনি। আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টে সিজিপিএ ফোরের মধ্যে ফোর পেয়ে ‘চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল’ অর্জন করেন। ২০১৪-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে সব বিভাগের মধ্যে মিথিলাই সর্বোচ্চ সিজিপিএ পান। সফলতার সঙ্গে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালে ১৭ বছর চাকরিও করছেন তিনি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

নারী-পুরুষের সমতা নিয়ে যা বললেন মিথিলা

প্রকাশিত সময় : ১০:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

গত বছর ডক্টর উপাধি পেয়ে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সম্প্রতি তিনি উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর একটি অনুষ্ঠানে এসে নারী-পুরুষের সমতা ও শিশুর মেধা বিকাশ নিয়ে কথা বলেন।

সেই শোতে অতিথি হয়েছিলেন গুণী অভিনয় শিল্পী ত্রপা মজুমদার ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সেখানে দুজনকেই বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন করা হয়। দুজনই নিজেদের জীবনের আলোকে খোলামেলা উত্তর দেন।


সামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীরা একটু উচ্চ পদবী পেলে সবাই বাঁকা চোখে তাকাই; এই বিষয়টি নিয়ে মিথিলা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রথমত আমাদের কাজের বিভাজনটাকে দূর করতে হবে। এটা নারীর কাজ ওটা পুরুষের কাজ এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’


পরিবার থেকে শেখাতে হবে নারী-পুরুষের কাজ বলে কিছু নেই। দুজনকেই যদি সমান অগ্রাধিকার দেয়া হয় তাহলে বাইরের বিভাজনটা অনেকাংশে কমে যাবে বলে জানালেন মিথিলা।
 

মিথিলার মতে, একজন নারী ঘরে যে পরিমাণ সময়-শ্রম দেন তার কোনো আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা হয় না। আবার বাইরে কাজ করেও কিন্তু ঘরটাও সমানভাবে সামলাতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী যদি পারস্পারিক সহমর্মিতার জায়গা থেকে এগিয়ে আসে তাহলে কাজগুলো সহজ হয়ে যায়।
 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে প্রথম বিভাগ নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। পরবর্তীকালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয়বারের মতো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন তিনি। আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টে সিজিপিএ ফোরের মধ্যে ফোর পেয়ে ‘চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল’ অর্জন করেন। ২০১৪-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে সব বিভাগের মধ্যে মিথিলাই সর্বোচ্চ সিজিপিএ পান। সফলতার সঙ্গে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালে ১৭ বছর চাকরিও করছেন তিনি।