শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বিপর্যস্ত জনজীবন

চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়ছে। প্রখর রোদ ও দাবদাহে জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা মাঝারি তাপপ্রবাহে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৩১ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক বলেন, টানা দুইদিন জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিন দিন ধরেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি অবস্থান করছে। এ অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তীব্র গরমের কারণে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমে এসেছে। অনেকেই রোদ ও গরম থেকে বাঁচতে ছায়াঘেরা ও শীতল স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

এদিকে, চলমান দাবদাহে কৃষি, শ্রম ও নিত্যদিনের কর্মজীবনেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। যদি আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টিপাত না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশিত সময় : ০৬:৫৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়ছে। প্রখর রোদ ও দাবদাহে জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা মাঝারি তাপপ্রবাহে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৩১ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক বলেন, টানা দুইদিন জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিন দিন ধরেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি অবস্থান করছে। এ অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তীব্র গরমের কারণে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে মানুষের উপস্থিতি কমে এসেছে। অনেকেই রোদ ও গরম থেকে বাঁচতে ছায়াঘেরা ও শীতল স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, পথচারী ও খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

এদিকে, চলমান দাবদাহে কৃষি, শ্রম ও নিত্যদিনের কর্মজীবনেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। যদি আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টিপাত না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।