শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়েছে। বুধবার (৩ আগস্ট) গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে। গত বুধবার দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিন শেষে আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে। গত রোববার বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬ বিলিয়ন ৩১ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্স আয়ে প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার দেওয়া ঋণের কারণে গত জুন মাস শেষে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার হয়। জুলাইর প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ২০২ কোটি ডলার পরিশোধ করে বাংলাদেশ। তখন গ্রস রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে। বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা ছিল ২৪ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। এরপর আজ বুধবার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ৩১ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল ছিল। বিশেষ করে, ডলারের দাম ১২২ থেকে ১২৩ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রাখে। বিপরীত দিকে মাঝে-মধ্যে বাজার থেকে ডলার কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্যদিকে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকে। সেইসঙ্গে দাতা সংস্থার অনুদান রিজার্ভ বাড়ায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ২০২১ সালের আগস্টে সর্বোচ্চ উঠেছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। করোনা মহামারি-পরবর্তী সময়ে সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে। ফলে, ধীরে ধীরে কমতে থাকে রিজার্ভ। অন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রিজার্ভ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়েছে। বুধবার (৩ আগস্ট) গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে। গত বুধবার দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিন শেষে আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে। গত রোববার বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬ বিলিয়ন ৩১ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্স আয়ে প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার দেওয়া ঋণের কারণে গত জুন মাস শেষে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার হয়। জুলাইর প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ২০২ কোটি ডলার পরিশোধ করে বাংলাদেশ। তখন গ্রস রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে। বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা ছিল ২৪ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। এরপর আজ বুধবার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় ৩১ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল ছিল। বিশেষ করে, ডলারের দাম ১২২ থেকে ১২৩ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রাখে। বিপরীত দিকে মাঝে-মধ্যে বাজার থেকে ডলার কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্যদিকে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকে। সেইসঙ্গে দাতা সংস্থার অনুদান রিজার্ভ বাড়ায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ২০২১ সালের আগস্টে সর্বোচ্চ উঠেছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। করোনা মহামারি-পরবর্তী সময়ে সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে। ফলে, ধীরে ধীরে কমতে থাকে রিজার্ভ। অন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রিজার্ভ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।