রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩০ টাকায় কুড়িল-বাণিজ্যমেলা

ঢাকার অদূরে পূর্বাচলের স্থায়ী ভেন্যু বাংলাদেশ-চীন এক্সিবিশন সেন্টারে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০২২। মেলার স্থান এবার একটু দূরে হওয়ায় কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করেছে সরকার। ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৩০ টাকা। নামতে হবে কাঞ্চন ব্রিজে। সেখান থেকে হেটে বা ১০ টাকা রিকশা ভাড়া দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণে যাওয়া যাবে।

বাণিজ্যমেলার এক্সিবিশন সেন্টারে বড়দের জন্য প্রবেশ ফি জনপ্রতি ৪০ টাকা ও শিশুদের জন্য ২০ টাকা। ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা ও অন্যান্য দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বাণিজ্য মেলা।

কুড়িল বিশ্বরোড বাসস্ট্যান্ড থেকে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের দুরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। রাস্তা ফাঁকা থাকলে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মেলায় পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে ৫০ মিনিট। তবে যানজট থাকলে দুই ঘণ্টাও লাগতে পারে বাণিজ্য মেলায় পৌঁছাতে। তাই সময় নিয়ে বের হওয়া ভালো। ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য যথেষ্ট জায়গা রয়েছে।

উল্লেখ্য , পূর্বাচল উপশহরের ৪ নম্বর সেক্টরে ২০১৭ সালে ৩২ একর জায়গা নিয়ে একটি এক্সিবিশন সেন্টার তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর গনচীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীয় এই স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়। যা বর্তমানে বাংলাদেশ-চীন এক্সিবিশন সেন্টার নামে পরিচিত। এই এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা।

এখানে আছে প্রায় ৩৩ হাজার বর্গমিটারের প্রদর্শনী স্পেস। এক্সিবিশন হলে মোট ৮০০টি বুথ আছে। যার প্রতিটির আয়তন ৮ দশমিক ৬৭ বর্গমিটার। এছাড়াও বাইরে ছয় একর খোলা জায়গা আছে। যেখানে অস্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরো আছে ৪৭৩ আসনবিশিষ্ট একটি মাল্টি-ফাংশনাল হল, ৫০ আসনবিশিষ্ট একটি কনফারেন্স রুম, ছয়টি সভাকক্ষ, ৫০০ আসনের ক্যাফেটেরিয়া, শিশুদের খেলার জায়গা, নামাজের স্থান, ১৩৯টি টয়লেট, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম ইত্যাদির সুবিধা।-ডেইলি বাংলাদেশ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৩০ টাকায় কুড়িল-বাণিজ্যমেলা

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জানুয়ারী ২০২২

ঢাকার অদূরে পূর্বাচলের স্থায়ী ভেন্যু বাংলাদেশ-চীন এক্সিবিশন সেন্টারে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০২২। মেলার স্থান এবার একটু দূরে হওয়ায় কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করেছে সরকার। ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে জনপ্রতি ৩০ টাকা। নামতে হবে কাঞ্চন ব্রিজে। সেখান থেকে হেটে বা ১০ টাকা রিকশা ভাড়া দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণে যাওয়া যাবে।

বাণিজ্যমেলার এক্সিবিশন সেন্টারে বড়দের জন্য প্রবেশ ফি জনপ্রতি ৪০ টাকা ও শিশুদের জন্য ২০ টাকা। ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা ও অন্যান্য দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বাণিজ্য মেলা।

কুড়িল বিশ্বরোড বাসস্ট্যান্ড থেকে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের দুরত্ব প্রায় ১৬ কিলোমিটার। রাস্তা ফাঁকা থাকলে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মেলায় পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে ৫০ মিনিট। তবে যানজট থাকলে দুই ঘণ্টাও লাগতে পারে বাণিজ্য মেলায় পৌঁছাতে। তাই সময় নিয়ে বের হওয়া ভালো। ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য যথেষ্ট জায়গা রয়েছে।

উল্লেখ্য , পূর্বাচল উপশহরের ৪ নম্বর সেক্টরে ২০১৭ সালে ৩২ একর জায়গা নিয়ে একটি এক্সিবিশন সেন্টার তৈরির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর গনচীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীয় এই স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়। যা বর্তমানে বাংলাদেশ-চীন এক্সিবিশন সেন্টার নামে পরিচিত। এই এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা।

এখানে আছে প্রায় ৩৩ হাজার বর্গমিটারের প্রদর্শনী স্পেস। এক্সিবিশন হলে মোট ৮০০টি বুথ আছে। যার প্রতিটির আয়তন ৮ দশমিক ৬৭ বর্গমিটার। এছাড়াও বাইরে ছয় একর খোলা জায়গা আছে। যেখানে অস্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরো আছে ৪৭৩ আসনবিশিষ্ট একটি মাল্টি-ফাংশনাল হল, ৫০ আসনবিশিষ্ট একটি কনফারেন্স রুম, ছয়টি সভাকক্ষ, ৫০০ আসনের ক্যাফেটেরিয়া, শিশুদের খেলার জায়গা, নামাজের স্থান, ১৩৯টি টয়লেট, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম ইত্যাদির সুবিধা।-ডেইলি বাংলাদেশ