বইমেলা শুরুর পর আজ শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ছুটির দিন। এদিনও শিশুদের এলাকা ছিল জমজমাট। নির্ধারিত সময়ে বেলা ১১টায় বইমেলায় প্রবেশ করতে পেরে আনন্দিত শিশুরা। সকাল থেকেই শিশু-কিশোরদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্ষুদে পাঠকদের উপস্থিতি ছিল বেশি। ছুটির দিন হওয়াতে সকাল সকাল বাবা-মায়ের হাত ধরে মেলায় এসেছে শিশুরা।
শিশু-কিশোররা জানিয়েছে, সকালে বড়দের ধাক্কাধাক্কি নেই। বড়দের জন্য তারা ভালোভাবে ঘুরতে পারে না। পছন্দের বই খুঁজে নিতে পারে না। এখন বড়রা নেই। পছন্দের সব বই নির্বাচন করতেই তারা আজ বেশি ব্যস্ত। শিশুদের পছন্দের তালিকাতে আছে হাস্যরসাত্বকসহ ভূতের সব গল্পের বই। তাছাড়া শিশুদের পছন্দের তালিকাতে রয়েছে ছড়া ও ছবির বইও। পাশাপাশি শিশু চত্বরে খেলাধুলা করে সময় কাটছে তাদের।
সায়মা বলেছে, গত বছর ক্লাস থ্রির ছাত্রী ছিলাম আমি। এবার চতুর্থ শ্রেণিতে উঠেছি। মেলায় এসে দেখি এবারও ‘শিশু প্রহর নেই। তাই প্রথমে মনটা খারাপ হয়ে যায়। তবে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখলাম আমাদের পড়ার জন্য অনেক বই এসেছে। তবে অনেক বইয়ের ছবি ভালোভাবে আঁকা হয় না। কেমন হিজিবিজি হিজিবিজি, মন টানে না।
সায়মা আরও বলেছে, করোনার কারণে আমাদের ক্লাস বন্ধ রয়েছে। ১ মার্চ থেকে প্রাইমারি স্কুলে ক্লাস শুরু হবে। নিজের জন্য এবং কাজিনকে বই উপহার দেওয়ার জন্য মেলায় বই কিনতে এসেছি। ঠাকুরমার ঝুলিসহ পাঁচটি বই কিনে নিয়ে যাব আমি।
কথা হয় শিশুতোষ বই ‘টইটুম্বর’ এর বিক্রয়কর্মী সাজ্জাদের সঙ্গে। তিনি বলেন, শিশুদের পাঠ উপযোগী অনেক বই মেলায় এনেছি আমরা। বিশেষকরে শিশুদের মনন বিকাশে ভালো ভালো বই প্রকাশ করার চেষ্টা থাকে আমাদের। মোটকথা শিশুদের মনে আনন্দ যোগায় এমন বই পাওয়া যাবে আমাদের

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























