হায় হায় কাণ্ড একি,
ঘুম থেকে উঠে নিজেকে নিঃস্ব দেখি;
দুনিয়ার মায়া সব হয়েছে মেকি,
কাছের আপন জন সব দিয়েছে ফাঁকি।।
ঘুম ভাঙা ভোরে আমি চেয়েছি যারে,
ফেরাতে চেয়েছি এই নষ্ট সংসারে;
ঘুম ভাঙাতে কভু আসে নি সে,
চলে গেছে অনেক দূরে;
কে আছে এমন তাজা তরুণ,
তারে আনবে ফিরে।।
ধুলোয় মিশে হয়ে গেছে ধূলিস্যাৎ,
বন্যায় ভেঙ্গে গেছে বালির বাঁধ;
পেতে চাই হাতে ঐ পূর্ণি চাঁদ,
লোভে পড়ে করে চলি বজ্রাঘাত;
চারদিকে শুনি আমি আর্তনাদ,
মানুষে মানুষে চলে অবিরত সংঘাত।।
সমাজটা হয়ে গেছে আজ খন্ড বিখন্ড,
মানুষ হয়ে গেছে সব লন্ড ভন্ড;
দলে দলে হয়ে ভাগ,
গড়ে তুলে মৃত্যুফাদ,
মানুষ এখানে হয় না বড়,
বড় হয় তার জাত।
কবে হবে শান্ত এই নষ্ট সংসার,
কবে হবে শেষ নিপীড়িতের হাহাকার;
কবে হবে শেষ যুদ্ধাহতের দম ফাটানো সেই চিৎকার,
কবে পাবে উদ্বাস্তু তার বসবাসের ন্যায্য অধিকার।।
হয়ে যাক বন্যপশু, যত আছে মানব শিশু;
দেখে আসুক শিখে আসুক যদি খুঁজে পায় তারা হরিণের মাঝেও কিছু।
স্বজাতি শিক্ষা তারা সেখানেই পাবে, হরিণে হরিণের প্রাণ নিয়েছে দেখিছে কে বা কবে।
সকাল সন্ধ্যা মনের মাঝে স্বর্গ মর্ত্য,
দোযখ – বেহেশতের আঁকা বুকি;
জন্মের পরেই চাপা পড়ে যায় মানবতা,
দিতে পারে না একটুও উঁকি।।

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

























