মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদের আগে আরেক দফা বাড়ল নিত্যপণ্যের দাম

ঈদের আগে আরেক দফা বাড়ল নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম। রাজধানীর খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিন, পাম অয়েল, মসুর ডাল, ময়দা থেকে শুরু করে পেঁয়াজ, রসুন ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে সয়াবিন ও পাম অয়েলের। ঈদের মাত্র সপ্তাহখানেক আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ।

রাজধানীর টাউনহল ও কৃষিমার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৭০ থেকে ১৭২ টাকা, পাম অয়েলে ১৫৮ থেকে ১৬২ টাকা ও সুপার পাম অয়েল ১৬০ থেকে ১৬২ টাকায় বিক্রি হয়। যা এক দিন আগে যথাক্রমে ১৫৫ থেকে ১৫৮ টাকা ও ১৪২ থেকে ১৪৫ টাকা ও ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। যদিও সরকার খুচরা বাজারে বিক্রির জন্য প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ১৩৬ টাকা ও পাম অয়েল ১৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

বাজারে সয়াবিন সংকট তৈরি করেছে ব্যবসায়ীরা। ৫ লিটার তেল আমার কাছে দাম রাখা হয়েছে ৭৯০ টাকা, যা গত সপ্তাহের থেকে ৪০ টাকা বেশি। এছাড়াও মসলা, ডাল, চিনি, সকল পণ্যের দামই বেশি রাখা হচ্ছে।

গতকাল কেজিতে তিন টাকা বেড়ে বড়দানা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯৮ থেকে ১০৫ টাকা। বেড়েছে খোলা ময়দার দামও। কেজিতে তিন টাকা বেড়ে গতকাল বাজারে তা ৫৫ থেকে ৫৮ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশে বেশ কিছুদিন ধরে পেঁয়াজের বাজার শুধু স্থিতিশীলই নয়, নিম্নমুখীও। কিন্তু গতকাল বাজারে সব ধরনের পেঁয়াজই কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের পাশাপাশি রসুনের দামও বেড়েছে। প্রতি কেজি দেশি রসুন ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১০ টাকা বেড়ে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঈদের আগে আরেক দফা বাড়ল নিত্যপণ্যের দাম

প্রকাশিত সময় : ০৩:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২২

ঈদের আগে আরেক দফা বাড়ল নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম। রাজধানীর খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিন, পাম অয়েল, মসুর ডাল, ময়দা থেকে শুরু করে পেঁয়াজ, রসুন ও ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে সয়াবিন ও পাম অয়েলের। ঈদের মাত্র সপ্তাহখানেক আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ।

রাজধানীর টাউনহল ও কৃষিমার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৭০ থেকে ১৭২ টাকা, পাম অয়েলে ১৫৮ থেকে ১৬২ টাকা ও সুপার পাম অয়েল ১৬০ থেকে ১৬২ টাকায় বিক্রি হয়। যা এক দিন আগে যথাক্রমে ১৫৫ থেকে ১৫৮ টাকা ও ১৪২ থেকে ১৪৫ টাকা ও ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। যদিও সরকার খুচরা বাজারে বিক্রির জন্য প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম ১৩৬ টাকা ও পাম অয়েল ১৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

বাজারে সয়াবিন সংকট তৈরি করেছে ব্যবসায়ীরা। ৫ লিটার তেল আমার কাছে দাম রাখা হয়েছে ৭৯০ টাকা, যা গত সপ্তাহের থেকে ৪০ টাকা বেশি। এছাড়াও মসলা, ডাল, চিনি, সকল পণ্যের দামই বেশি রাখা হচ্ছে।

গতকাল কেজিতে তিন টাকা বেড়ে বড়দানা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯৮ থেকে ১০৫ টাকা। বেড়েছে খোলা ময়দার দামও। কেজিতে তিন টাকা বেড়ে গতকাল বাজারে তা ৫৫ থেকে ৫৮ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশে বেশ কিছুদিন ধরে পেঁয়াজের বাজার শুধু স্থিতিশীলই নয়, নিম্নমুখীও। কিন্তু গতকাল বাজারে সব ধরনের পেঁয়াজই কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের পাশাপাশি রসুনের দামও বেড়েছে। প্রতি কেজি দেশি রসুন ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১০ টাকা বেড়ে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।