বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডলারের দাম বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক

ডলারের বিনিময়মূল্য আরও ১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) রিজার্ভ থেকে ৯৬ টাকায় প্রতি ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকালও এ দাম ছিল ৯৫ টাকা।

দেশের খোলাবাজারেও ডলারের দাম বেড়েছে। রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) কার্ব মার্কেট প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১১৪ থেকে ১১৪ টাকা ৫০ পয়সায়।

রাজধানীর বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ হাউজ ঘুরে জানা যায়, গত সপ্তাহেও ডলারপ্রতি বিনিময় হার ছিল ১০৮ থে‌কে ১০৯ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার মূল্য বেড়েছে ৫ থেকে ৬ টাকা।

বাংলাদেশে গত মে মাস থেকেই ডলারের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। আমদানি ব্যয় এত বেড়ে গিয়েছিল যে রেমিট্যান্স আর রফতানি আয় দিয়ে তা সামাল দেয়া যাচ্ছিল না।

ডলারের দাম খোলা বাজারে ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। ডলার কেনাবেচায় অতি মুনাফা করায় দেশি-বিদেশি ১৩ ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যাও চেয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

এরপর আমদানি কমাতে নানা উদ্যোগের পাশাপাশি প্রবাসী ও রপ্তানি আয় কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়াতে সংকট কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যাচ্ছিল না।

ডলারের দাম নিয়ে এই অস্থিরতার মধ্যে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো কমেছে। বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিনে রিজার্ভ ছিলো ৩ হাজার ৭০৬ কোটি ডলার যা গত বছরের শেষ দিকেও ছিল প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী প্রবাসী আয় আর রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রতি মার্কিন ডলারের সর্বোচ্চ দর হবে ১০৮ টাকা আর রফতানি বিল নগদায়ন হবে প্রতি ডলারে ৯৯ টাকা।

আর এ দুটির গড় খরচ অর্থাৎ রেমিট্যান্স আহরণ ও রপ্তানি বিল নগদায়নে ব্যাংকগুলোর গড় খরচের সঙ্গে অতিরিক্ত এক টাকা যোগ করে আমদানিকারকের কাছে ১০৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করবে ব্যাংকগুলো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ডলারের দাম বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত সময় : ১০:২৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

ডলারের বিনিময়মূল্য আরও ১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) রিজার্ভ থেকে ৯৬ টাকায় প্রতি ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকালও এ দাম ছিল ৯৫ টাকা।

দেশের খোলাবাজারেও ডলারের দাম বেড়েছে। রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) কার্ব মার্কেট প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ১১৪ থেকে ১১৪ টাকা ৫০ পয়সায়।

রাজধানীর বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ হাউজ ঘুরে জানা যায়, গত সপ্তাহেও ডলারপ্রতি বিনিময় হার ছিল ১০৮ থে‌কে ১০৯ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার মূল্য বেড়েছে ৫ থেকে ৬ টাকা।

বাংলাদেশে গত মে মাস থেকেই ডলারের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। আমদানি ব্যয় এত বেড়ে গিয়েছিল যে রেমিট্যান্স আর রফতানি আয় দিয়ে তা সামাল দেয়া যাচ্ছিল না।

ডলারের দাম খোলা বাজারে ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। ডলার কেনাবেচায় অতি মুনাফা করায় দেশি-বিদেশি ১৩ ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যাও চেয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

এরপর আমদানি কমাতে নানা উদ্যোগের পাশাপাশি প্রবাসী ও রপ্তানি আয় কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়াতে সংকট কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যাচ্ছিল না।

ডলারের দাম নিয়ে এই অস্থিরতার মধ্যে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো কমেছে। বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিনে রিজার্ভ ছিলো ৩ হাজার ৭০৬ কোটি ডলার যা গত বছরের শেষ দিকেও ছিল প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী প্রবাসী আয় আর রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রতি মার্কিন ডলারের সর্বোচ্চ দর হবে ১০৮ টাকা আর রফতানি বিল নগদায়ন হবে প্রতি ডলারে ৯৯ টাকা।

আর এ দুটির গড় খরচ অর্থাৎ রেমিট্যান্স আহরণ ও রপ্তানি বিল নগদায়নে ব্যাংকগুলোর গড় খরচের সঙ্গে অতিরিক্ত এক টাকা যোগ করে আমদানিকারকের কাছে ১০৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করবে ব্যাংকগুলো।