শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম নৌবিহার চালু করছে ভারত

উত্তর প্রদেশ থেকে আসাম পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম নৌবিহার চালু করছে ভারত। বিলাসবহুল এই নৌবিহারটি তার যাত্রাপথে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে যাওয়া নৌপথ অতিক্রম করবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১৩ জানুয়ারি এই নৌবিহারের উদ্বোধন করবেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। বিদেশি পর্যটকদের নিয়ে এই নৌবিহারে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা হবে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার। এই যাত্রাপথের মধ্যে বাংলাদেশেই রয়েছে প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার। যাত্রাপথে ক্রুজটি সবমিলিয়ে ২৭টি নদীর ওপর দিয়ে যাবে। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত ম্যাপ অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশের বারানসি থেকে এই নৌবিহার শুরু হবে। তারপর সেটি নৌপথে বিহারের পাটনা, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থান ছুঁয়ে বাংলাদেশের জলপথে প্রবেশ করবে। নৌবিহারের যাত্রাপথে বাংলাদেশের মোংলা বন্দর, সুন্দরবনের কটকা সমুদ্রসৈকত, হারবাড়িয়া, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ, বরিশাল, মেঘনা ঘাট, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাট, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের চিলমারী পড়বে। এরপর নৌবিহারটি আবার ভারতে প্রবেশ করে শেষ হবে আসামের দিব্রুগড়ে গিয়ে। নৌবিহারে অংশ নেওয়া পর্যটকরা ৫০ দিনে ৫০টি পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে বারানসির গঙ্গা আরতি, কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও সুন্দরবনের মতো পর্যটনকেন্দ্রগুলো। গত শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গে একাধিক প্রকল্প উদ্বোধন করেন মোদি। একইদিন তিনি ওই নৌবিহার চালুর ঘোষণা দেন। মোদি বলেন, ‘এটি বিশ্বের একটি অনন্য নৌবিহার হবে। একই সঙ্গে ভারতে উঠতির দিকে থাকা নৌবিহার পর্যটনকে সামনে আনবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম নৌবিহার চালু করছে ভারত

প্রকাশিত সময় : ১০:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

উত্তর প্রদেশ থেকে আসাম পর্যন্ত বিশ্বের দীর্ঘতম নৌবিহার চালু করছে ভারত। বিলাসবহুল এই নৌবিহারটি তার যাত্রাপথে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে যাওয়া নৌপথ অতিক্রম করবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১৩ জানুয়ারি এই নৌবিহারের উদ্বোধন করবেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। বিদেশি পর্যটকদের নিয়ে এই নৌবিহারে প্রায় ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা হবে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার। এই যাত্রাপথের মধ্যে বাংলাদেশেই রয়েছে প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার। যাত্রাপথে ক্রুজটি সবমিলিয়ে ২৭টি নদীর ওপর দিয়ে যাবে। টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত ম্যাপ অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশের বারানসি থেকে এই নৌবিহার শুরু হবে। তারপর সেটি নৌপথে বিহারের পাটনা, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাসহ বিভিন্ন পর্যটন স্থান ছুঁয়ে বাংলাদেশের জলপথে প্রবেশ করবে। নৌবিহারের যাত্রাপথে বাংলাদেশের মোংলা বন্দর, সুন্দরবনের কটকা সমুদ্রসৈকত, হারবাড়িয়া, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ, বরিশাল, মেঘনা ঘাট, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাট, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের চিলমারী পড়বে। এরপর নৌবিহারটি আবার ভারতে প্রবেশ করে শেষ হবে আসামের দিব্রুগড়ে গিয়ে। নৌবিহারে অংশ নেওয়া পর্যটকরা ৫০ দিনে ৫০টি পর্যটনকেন্দ্র ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে বারানসির গঙ্গা আরতি, কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ও সুন্দরবনের মতো পর্যটনকেন্দ্রগুলো। গত শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গে একাধিক প্রকল্প উদ্বোধন করেন মোদি। একইদিন তিনি ওই নৌবিহার চালুর ঘোষণা দেন। মোদি বলেন, ‘এটি বিশ্বের একটি অনন্য নৌবিহার হবে। একই সঙ্গে ভারতে উঠতির দিকে থাকা নৌবিহার পর্যটনকে সামনে আনবে।’