বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাল রপ্তানিতে ভারতের ২০ শতাংশ শুল্ক অব্যাহত থাকছে

চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছিল ভারত। যার মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সেটা অব্যাহত থাকবে। ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের আগস্টে চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক জারি করে ভারত।দেশের বাজারে ভোগ্যপণ্যটির পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেয় তারা। পরে এর মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এবার আবারও বৃদ্ধি করা হলো। এক আদেশে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক অনির্দিষ্টকাল জারি থাকবে।এ উদ্যোগে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চালান আরও কমবে। ফলে খাদ্যপণ্যটির বৈশ্বিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা জেগেছে। ইতোমধ্যে ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে খাদ্যশস্যটির দর। গত বছরের আগস্টে সেদ্ধ চাল রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ভারত। ১৫ অক্টোবর যার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। এর আগে গত জুলাইয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত নন-বাসমতি সাদা চালের রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। এতে বিশ্বজুড়ে ক্রেতারা অবাক হন। এরও আগে ২০২২ সালে ভাঙা চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করে ভারত। বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যটি মোট রপ্তানির ৪০ শতাংশই করে দেশটি। ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের যেকোনও কাটছাঁট খাদ্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি অন্যান্য সরবরাহকারী দেশে মজুত কমে যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

চাল রপ্তানিতে ভারতের ২০ শতাংশ শুল্ক অব্যাহত থাকছে

প্রকাশিত সময় : ০২:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেদ্ধ চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে রেখেছিল ভারত। যার মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সেটা অব্যাহত থাকবে। ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের আগস্টে চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক জারি করে ভারত।দেশের বাজারে ভোগ্যপণ্যটির পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেয় তারা। পরে এর মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এবার আবারও বৃদ্ধি করা হলো। এক আদেশে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চাল রপ্তানিতে ২০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক অনির্দিষ্টকাল জারি থাকবে।এ উদ্যোগে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চালান আরও কমবে। ফলে খাদ্যপণ্যটির বৈশ্বিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা জেগেছে। ইতোমধ্যে ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে খাদ্যশস্যটির দর। গত বছরের আগস্টে সেদ্ধ চাল রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ভারত। ১৫ অক্টোবর যার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। এর আগে গত জুলাইয়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত নন-বাসমতি সাদা চালের রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। এতে বিশ্বজুড়ে ক্রেতারা অবাক হন। এরও আগে ২০২২ সালে ভাঙা চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ করে ভারত। বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যটি মোট রপ্তানির ৪০ শতাংশই করে দেশটি। ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের যেকোনও কাটছাঁট খাদ্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি অন্যান্য সরবরাহকারী দেশে মজুত কমে যাবে।