মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজের কণ্ঠ ও ছবি ট্রেডমার্ক করছেন টেইলর সুইফট

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে নিজের কণ্ঠস্বর ও শারীরিক অবয়বকে ‘ট্রেডমার্ক’ করার আবেদন জানিয়েছেন মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট। অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককোনাঘির দেখানো পথে হেঁটে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মার্কিন পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে তিনটি আবেদন জমা দিয়েছে সুইফটের কম্পানি।

বর্তমান যুগে এআই ব্যবহার করে শিল্পীদের অনুমতি ছাড়াই তাদের হুবহু কণ্ঠ বা ছবি তৈরি করা হচ্ছে। সুইফটের ক্ষেত্রেও এর আগে এআই-নির্মিত অশ্লীল ছবি এবং রাজনৈতিক প্রচারণায় তার নকল ছবি ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

এই ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতেই তিনি নিজেকে ‘ট্রেডমার্ক’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সাধারণত ব্যক্তিগত পরিচয় ট্রেডমার্কের আওতায় পড়ে না। তবে সুইফটের আইনজীবীদের ধারণা, এটি কার্যকর হলে এআই দিয়ে তৈরি যেকোনো নকল কন্টেন্টের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে মামলা করা সহজ হবে। কোনো স্টুডিও যেভাবে তাদের সিনেমার চরিত্রের কপিরাইট রক্ষা করে, সুইফটও একইভাবে তার কণ্ঠ বা ছবির অপব্যবহার বন্ধ করতে পারবেন।

এর আগে অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককোনাঘি তার বিখ্যাত সংলাপ ‘অলরাইট, অলরাইট, অলরাইট!’ ট্রেডমার্ক করে এই পথ তৈরি করেছিলেন। তবে সুইফট বর্তমানে নিজেই একটি ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত মামলায় জড়িয়ে আছেন। ম্যারেন ওয়েড নামে এক শিল্পী অভিযোগ করেছেন যে, সুইফটের ২০২৫ সালের অ্যালবাম ‘দ্য লাইফ অফ এ শোগার্ল’ তার পুরনো একটি ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন করেছে।

সূত্র : ভ্যারাইটি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

নিজের কণ্ঠ ও ছবি ট্রেডমার্ক করছেন টেইলর সুইফট

প্রকাশিত সময় : ০৯:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে নিজের কণ্ঠস্বর ও শারীরিক অবয়বকে ‘ট্রেডমার্ক’ করার আবেদন জানিয়েছেন মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট। অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককোনাঘির দেখানো পথে হেঁটে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মার্কিন পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে তিনটি আবেদন জমা দিয়েছে সুইফটের কম্পানি।

বর্তমান যুগে এআই ব্যবহার করে শিল্পীদের অনুমতি ছাড়াই তাদের হুবহু কণ্ঠ বা ছবি তৈরি করা হচ্ছে। সুইফটের ক্ষেত্রেও এর আগে এআই-নির্মিত অশ্লীল ছবি এবং রাজনৈতিক প্রচারণায় তার নকল ছবি ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

এই ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতেই তিনি নিজেকে ‘ট্রেডমার্ক’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সাধারণত ব্যক্তিগত পরিচয় ট্রেডমার্কের আওতায় পড়ে না। তবে সুইফটের আইনজীবীদের ধারণা, এটি কার্যকর হলে এআই দিয়ে তৈরি যেকোনো নকল কন্টেন্টের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে মামলা করা সহজ হবে। কোনো স্টুডিও যেভাবে তাদের সিনেমার চরিত্রের কপিরাইট রক্ষা করে, সুইফটও একইভাবে তার কণ্ঠ বা ছবির অপব্যবহার বন্ধ করতে পারবেন।

এর আগে অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককোনাঘি তার বিখ্যাত সংলাপ ‘অলরাইট, অলরাইট, অলরাইট!’ ট্রেডমার্ক করে এই পথ তৈরি করেছিলেন। তবে সুইফট বর্তমানে নিজেই একটি ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত মামলায় জড়িয়ে আছেন। ম্যারেন ওয়েড নামে এক শিল্পী অভিযোগ করেছেন যে, সুইফটের ২০২৫ সালের অ্যালবাম ‘দ্য লাইফ অফ এ শোগার্ল’ তার পুরনো একটি ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন করেছে।

সূত্র : ভ্যারাইটি