মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের দিন কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা

বছর ঘুরে আবারও দুয়ারে পবিত্র ঈদুল ফিতর। আনন্দ আর উৎসবের এই সময়ে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া। কালবৈশাখীর মৌসুম হওয়ায় ঈদের আগে ও পরে দেশজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে ঈদের দিন আবহাওয়া সবথেকে বেশি বৈরী থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিডব্লিউওটি গণমাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

সংস্থাটি বলেছে, ঈদের আগের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ঈদের নামাজের সময় বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত হতে পারে উন্মুক্ত স্থানের জামাত।

ঈদের দিনের আবহাওয়ার বিষয়ে সংস্থাটি বলেছে, আবহাওয়া নিয়ে সবথেকে বেশি উৎকণ্ঠার খবর থাকছে ঈদের দিনের জন্য। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের আগের রাতেই দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে একটি শক্তিশালী কালবৈশাখী প্রবেশ করতে পারে।

বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় ঈদের জামাতের সময় ঝড়-বৃষ্টির উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সকালে ঈদগাহ বা খোলা ময়দানে নামাজ আদায়ে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ঝড়টি রংপুর ও রাজশাহী হয়ে সকালের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ছড়িয়ে পড়তে পারে। দুপুরের মধ্যে এটি চট্টগ্রাম বিভাগেও পৌঁছাতে পারে। এছাড়া বিকেলে সারা দেশে দ্বিতীয় দফায় আরেক দফা ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। ফলে ঈদের দিন দেশের আবহাওয়া দীর্ঘ সময় বৈরী থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

ঈদের আগের ও পরের দিনের পরিস্থিতির বিষয়ে বিডব্লিউওটি জানায়, শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদের আগের দিন সকালে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দুপুরের পর থেকেই পাল্টে যেতে পারে আবহাওয়া। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় কালবৈশাখীসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে ঈদের পরের দিন থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। ভোরের দিকে উপকূলীয় কিছু বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা থাকলেও দিনের বেলা দেশের অন্যান্য এলাকায় আবহাওয়া অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঈদের দিন কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা

প্রকাশিত সময় : ১১:৪২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
বছর ঘুরে আবারও দুয়ারে পবিত্র ঈদুল ফিতর। আনন্দ আর উৎসবের এই সময়ে বাগড়া দিতে পারে বৈরী আবহাওয়া। কালবৈশাখীর মৌসুম হওয়ায় ঈদের আগে ও পরে দেশজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশেষ করে ঈদের দিন আবহাওয়া সবথেকে বেশি বৈরী থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিডব্লিউওটি গণমাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

সংস্থাটি বলেছে, ঈদের আগের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ঈদের নামাজের সময় বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত হতে পারে উন্মুক্ত স্থানের জামাত।

ঈদের দিনের আবহাওয়ার বিষয়ে সংস্থাটি বলেছে, আবহাওয়া নিয়ে সবথেকে বেশি উৎকণ্ঠার খবর থাকছে ঈদের দিনের জন্য। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের আগের রাতেই দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে একটি শক্তিশালী কালবৈশাখী প্রবেশ করতে পারে।

বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় ঈদের জামাতের সময় ঝড়-বৃষ্টির উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সকালে ঈদগাহ বা খোলা ময়দানে নামাজ আদায়ে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

সংস্থাটি জানায়, সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ঝড়টি রংপুর ও রাজশাহী হয়ে সকালের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ছড়িয়ে পড়তে পারে। দুপুরের মধ্যে এটি চট্টগ্রাম বিভাগেও পৌঁছাতে পারে। এছাড়া বিকেলে সারা দেশে দ্বিতীয় দফায় আরেক দফা ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। ফলে ঈদের দিন দেশের আবহাওয়া দীর্ঘ সময় বৈরী থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

ঈদের আগের ও পরের দিনের পরিস্থিতির বিষয়ে বিডব্লিউওটি জানায়, শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদের আগের দিন সকালে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দুপুরের পর থেকেই পাল্টে যেতে পারে আবহাওয়া। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় কালবৈশাখীসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে ঈদের পরের দিন থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। ভোরের দিকে উপকূলীয় কিছু বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা থাকলেও দিনের বেলা দেশের অন্যান্য এলাকায় আবহাওয়া অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।