বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের দাম বাড়ালে নিত্যপণ্যের বাজারে দাবানল ছড়াবে: জামায়াত

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ইতোমধ্যেই সহনীয় মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে তা বাজারে দাবানল সৃষ্টি করবে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য মারাত্মক চাপ তৈরি করবে।

আতাউর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হলেও দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে সরকারের কূটনৈতিক দুর্বলতা, জ্বালানি খাতে অদক্ষতা এবং দুর্বল পরিকল্পনার কারণে। ইরান থেকে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়েছে, যেখানে ঘোষিত কয়েকটি জাহাজের অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, দেশে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলেই তার দায়ভার সাধারণ জনগণের ওপর চাপানো হয়। জনগণকে ব্যয় সংকোচনে বাধ্য করা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রথমে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে, রাষ্ট্রীয় খাতে ব্যয় সংকোচন করতে হবে এবং কূটনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। এরপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা উচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

বিদ্যুতের দাম বাড়ালে নিত্যপণ্যের বাজারে দাবানল ছড়াবে: জামায়াত

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ইতোমধ্যেই সহনীয় মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে তা বাজারে দাবানল সৃষ্টি করবে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য মারাত্মক চাপ তৈরি করবে।

আতাউর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট বর্তমানে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হলেও দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে সরকারের কূটনৈতিক দুর্বলতা, জ্বালানি খাতে অদক্ষতা এবং দুর্বল পরিকল্পনার কারণে। ইরান থেকে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়েছে, যেখানে ঘোষিত কয়েকটি জাহাজের অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, দেশে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলেই তার দায়ভার সাধারণ জনগণের ওপর চাপানো হয়। জনগণকে ব্যয় সংকোচনে বাধ্য করা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রথমে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে, রাষ্ট্রীয় খাতে ব্যয় সংকোচন করতে হবে এবং কূটনৈতিক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে হবে। এরপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা উচিত।