রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মো. আসাদুজ্জামান অর্থের অভাবে ছাত্রত্ব শেষ করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন।
আসাদুজ্জামান লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের সুন্দ্রাহবি গ্রামের দিনমজুর মো. ইউসুফ আলী ও মোছা. আরেফা বেগমের সন্তান। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখ্স হলের আবাসিক ছাত্র। এর আগে তাঁর নাকের টিউমার অপারেশন করতে সর্বশান্ত হয়েছে আসাদুজ্জামানের পরিবার।
আসাদুজ্জামানের দিনমজুর পিতা ইউসুফ আলী বয়সের ভারে এখন আর কাজ করতে পারেন না। নিজের অসুস্থতার কারণে লেখাপড়ার খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন আসাদুজ্জামান। রাজশাহীতে টিউশনিও খুঁজে পাচ্ছেন না।
নিজের পড়ালেখার খরচ চালাতে কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তি বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলে আসাদুজ্জামান তাঁর শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারবেন বলে জানান।

রিপোর্টারের নাম 























