বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ায় পাহাড়ী ঢলে বাঁধ ভেঙ্গে জনপদ প্লাবিত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে গোগালীছড়ার বাঁধ ভেঙে বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

মঙ্গলবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া ঝড়ো হাওয়া রাতেও অব্যাহত ছিল।

বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে জেলার জুড়ি উপজেলার কন্ঠিলালা নদী। আর বিপদ সীমার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে মনু ও ধলাই নদী।

কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন জানায়, উপজেলার গাজীপুর নামক স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করে। প্রবল স্রোতে সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা, হাসনপুর, শ্রীপুর, করেরগ্রাম, মিনারমহল, সৈয়দপুর, গাজীপুর, পুরন্দপুর, হরিপুর ও বড়কাপনসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

বন্যায় এসব এলাকার প্রায় ১০০ বিঘা আউশ ও বোরো ধান এবং আউশের বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া শতাধিক মৎস্য খামার (ফিশারী) ভেসে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা।

এদিকে ঝরে উপড়ে পড়েছে  হাজার হাজার গাছ। ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ অনেকের বাড়িঘর।
অধিকাংশ এলাকায় বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে জনজীবনে দেখা দিয়েছে চরম ভোগান্তি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

কুলাউড়ায় পাহাড়ী ঢলে বাঁধ ভেঙ্গে জনপদ প্লাবিত

প্রকাশিত সময় : ১১:০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে গোগালীছড়ার বাঁধ ভেঙে বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

মঙ্গলবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া ঝড়ো হাওয়া রাতেও অব্যাহত ছিল।

বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে জেলার জুড়ি উপজেলার কন্ঠিলালা নদী। আর বিপদ সীমার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে মনু ও ধলাই নদী।

কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন জানায়, উপজেলার গাজীপুর নামক স্থানে প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করে। প্রবল স্রোতে সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা, হাসনপুর, শ্রীপুর, করেরগ্রাম, মিনারমহল, সৈয়দপুর, গাজীপুর, পুরন্দপুর, হরিপুর ও বড়কাপনসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

বন্যায় এসব এলাকার প্রায় ১০০ বিঘা আউশ ও বোরো ধান এবং আউশের বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া শতাধিক মৎস্য খামার (ফিশারী) ভেসে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা।

এদিকে ঝরে উপড়ে পড়েছে  হাজার হাজার গাছ। ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ অনেকের বাড়িঘর।
অধিকাংশ এলাকায় বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে জনজীবনে দেখা দিয়েছে চরম ভোগান্তি।