সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলে কেন্দ্রটি গড়ে ৮০ শতাংশ প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর (পিএলএফ) বা সক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে। মাসের প্রথম সপ্তাহে কেন্দ্রটি ৯৭ শতাংশ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গ্রিডকে স্থিতিশীল রেখেছে। এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করল।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরিচালক শ্রী রমানাথ পূজারী বলেন, ‘সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা আমাদের শক্তিশালী ডিজাইন এবং টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। এই সাফল্য আমাদের কঠোর পরিচালন পদ্ধতি এবং দুই দেশের মধ্যকার সফল সহযোগিতার একটি অনন্য নিদর্শন।’
বর্তমানে কেন্দ্রটি ভারতের এনটিপিসি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একদল দক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এনটিপিসি বর্তমানে উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা প্রদান করছে। তবে স্থানীয় প্রকৌশলীদের মাধ্যমে বিশালাকার কেন্দ্রের দৈনন্দিন পরিচালনা বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পথে একটি বড় অর্জন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























