বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের বেতন ফ্রি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় আরও সুযোগ বাড়াতে স্নাতক (অনার্স) পর্যন্ত বেতন সম্পূর্ণ ফ্রি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি ভালো ফল করা ছাত্রীদের জন্য বৃত্তি চালুরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়নেও কাজ করছে, যাতে তারা অর্থনৈতিকভাবেও শক্তিশালী হতে পারেন। এ লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। একই সঙ্গে আমরা আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে করেছিলেন। এবার আমরা ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে করতে চাই।

তিনি বলেন, আজ সংসদের গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছেন। তারা সরাসরি সংসদ অধিবেশন দেখছেন এবং সরকার তাদের উচ্চশিক্ষার পথ আরও সহজ করতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যারা ভালো ফল করবে, তাদের জন্য স্কলারশিপ বা বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।

এদিকে মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, আমরা প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে তাদের স্কুল ব্যাগও দেওয়া হবে।।

তিনি বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদর পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। সরকার ধাপে ধাপে তাদের সবার কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে সরকারের লক্ষ্য শুধু বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করা নয় বরং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলা, যাতে কোনো শিশু অর্থনৈতিক কারণে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের বেতন ফ্রি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ১০:০৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় আরও সুযোগ বাড়াতে স্নাতক (অনার্স) পর্যন্ত বেতন সম্পূর্ণ ফ্রি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি ভালো ফল করা ছাত্রীদের জন্য বৃত্তি চালুরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়নেও কাজ করছে, যাতে তারা অর্থনৈতিকভাবেও শক্তিশালী হতে পারেন। এ লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। একই সঙ্গে আমরা আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে করেছিলেন। এবার আমরা ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে করতে চাই।

তিনি বলেন, আজ সংসদের গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছেন। তারা সরাসরি সংসদ অধিবেশন দেখছেন এবং সরকার তাদের উচ্চশিক্ষার পথ আরও সহজ করতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যারা ভালো ফল করবে, তাদের জন্য স্কলারশিপ বা বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।

এদিকে মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, আমরা প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে তাদের স্কুল ব্যাগও দেওয়া হবে।।

তিনি বলেন, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদর পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। বর্তমানে দেশে প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। সরকার ধাপে ধাপে তাদের সবার কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে সরকারের লক্ষ্য শুধু বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করা নয় বরং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলা, যাতে কোনো শিশু অর্থনৈতিক কারণে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়।