যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে কালাস লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা যুদ্ধ বন্ধের জন্য চলমান কঠিন আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলছে। বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের হামলা গ্রহণযোগ্য নয়।”
কালাস আরও বলেন, “আগামী সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উপসাগরীয় দেশগুলোর সমকক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। সেখানে কীভাবে আমরা একসঙ্গে কাজ করে চুক্তির বাস্তবায়নে সহায়তা করতে পারি, পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারি—তা নিয়ে আলোচনা হবে।”
এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর সালমান বন্দর এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটিও রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, “হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার তাৎক্ষণিক জবাব হিসেবে” এসব হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া সামরিক সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে পৌঁছেছিল।
সূত্র: আনাদলু

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























