সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুসলিম কিশোরীকে গণধর্ষণের পর হত্যা, উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ

কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির বারুইপুরে এক মুসলিম কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় ১১ বছর বয়সী ওই কিশোরীর পরিবার দাবি করেছে, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী,  গত শনিবার বিকেলে খাবার কিনতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই কিশোরীটি নিখোঁজ ছিল। পরদিন রোববার (০৫ জুলাই) সকালে বাড়ির কাছাকাছি একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর বারুইপুর ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং টহল জোরদার করা হয়।

সোমবার পুলিশের হাতে প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পৌঁছানোর পর পকসো আইনে ধর্ষণ ও হত্যার মামলা দায়ের করা হয়। যদিও শুরুতে মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তদন্তের জন্য ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ প্রথমে একজনকে গ্রেপ্তার করে, পরে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা অনুযায়ী বারুইপুর এলাকায় পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সূত্র: বিবিস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

মুসলিম কিশোরীকে গণধর্ষণের পর হত্যা, উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির বারুইপুরে এক মুসলিম কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রায় ১১ বছর বয়সী ওই কিশোরীর পরিবার দাবি করেছে, ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী,  গত শনিবার বিকেলে খাবার কিনতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই কিশোরীটি নিখোঁজ ছিল। পরদিন রোববার (০৫ জুলাই) সকালে বাড়ির কাছাকাছি একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর বারুইপুর ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং টহল জোরদার করা হয়।

সোমবার পুলিশের হাতে প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পৌঁছানোর পর পকসো আইনে ধর্ষণ ও হত্যার মামলা দায়ের করা হয়। যদিও শুরুতে মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তদন্তের জন্য ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ প্রথমে একজনকে গ্রেপ্তার করে, পরে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা অনুযায়ী বারুইপুর এলাকায় পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সূত্র: বিবিস