রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে বন্যায় ৫ দিনে ৬ শি*শুসহ ১৩ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রামে অতিভারি বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়-দেয়াল ধসে এখন পর্যন্ত ৬ শিশুসহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে বন্যা ও পানিতে ডুবে মারা গেছে ৭ জন।

গত ৭ জুলাই থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত ৫ দিনে চট্টগ্রাম নগর ও জেলার ৭টি উপজেলায় তারা মারা যান।
গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এ দিকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, বন্যায় সাতকানিয়া উপজেলায় ২৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক, বাঁশখালীতে ১৬ টি কমিউনিটি ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানি উঠলেও এখন নেমে গেছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যার সময় সর্বশেষ গত শনিবার পর্যন্ত মোট আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৯০ জন। এরমধ্যে ৭৫ জন সাপে কাটা রোগী আছে। এরমধ্যে কোন রোগী মারা যায়নি। বন্যা দুর্গত এলাকায় আমাদের মেডিকেল টিম পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ওআরএস, প্যারাসিটামল এবং অন্যান্য ওষুধপত্র নিয়ে এলাকায় কাজ করছে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে জানা যায়, সদ্য চট্টগ্রাম জেলায় অতিভারি বৃষ্টিতে বন্যা, পাহাড় ও দেয়াল ধসে নগর, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ড, রাউজান, আনোয়ারা, হাটহাজারী, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় মোট ১৩ জন মারা যান। এরমধ্যে ৬ জন শিশু, চারজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছে।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন জানান, আহত ৯০ জনের মধ্যে পাহাড় ধসে ২ জন, দেয়াল ধসে ২ জন, সাপে কাটা ৭৫ জন এবং অন্যান্য আহত ১১ জন। এরমধ্যে সাপে কাটা ৭৫ জন আহতের মধ্যে বোয়ালখালী ২০, রাঙ্গুনিয়া ৩, হাটহাজারী ৮, সাতকানিয়া ৩, চন্দনাইশ ৩, লোহাগাড়া ২, পটিয়া ২২, রাউজান ১৪ জন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রামে বন্যায় ৫ দিনে ৬ শি*শুসহ ১৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত সময় : ১০:১০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে অতিভারি বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়-দেয়াল ধসে এখন পর্যন্ত ৬ শিশুসহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে বন্যা ও পানিতে ডুবে মারা গেছে ৭ জন।

গত ৭ জুলাই থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত ৫ দিনে চট্টগ্রাম নগর ও জেলার ৭টি উপজেলায় তারা মারা যান।
গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এ দিকে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, বন্যায় সাতকানিয়া উপজেলায় ২৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক, বাঁশখালীতে ১৬ টি কমিউনিটি ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পানি উঠলেও এখন নেমে গেছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রামে অতিবৃষ্টি ও বন্যার সময় সর্বশেষ গত শনিবার পর্যন্ত মোট আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৯০ জন। এরমধ্যে ৭৫ জন সাপে কাটা রোগী আছে। এরমধ্যে কোন রোগী মারা যায়নি। বন্যা দুর্গত এলাকায় আমাদের মেডিকেল টিম পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ওআরএস, প্যারাসিটামল এবং অন্যান্য ওষুধপত্র নিয়ে এলাকায় কাজ করছে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে জানা যায়, সদ্য চট্টগ্রাম জেলায় অতিভারি বৃষ্টিতে বন্যা, পাহাড় ও দেয়াল ধসে নগর, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ড, রাউজান, আনোয়ারা, হাটহাজারী, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় মোট ১৩ জন মারা যান। এরমধ্যে ৬ জন শিশু, চারজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছে।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন জানান, আহত ৯০ জনের মধ্যে পাহাড় ধসে ২ জন, দেয়াল ধসে ২ জন, সাপে কাটা ৭৫ জন এবং অন্যান্য আহত ১১ জন। এরমধ্যে সাপে কাটা ৭৫ জন আহতের মধ্যে বোয়ালখালী ২০, রাঙ্গুনিয়া ৩, হাটহাজারী ৮, সাতকানিয়া ৩, চন্দনাইশ ৩, লোহাগাড়া ২, পটিয়া ২২, রাউজান ১৪ জন।