নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা মাসে ৩০ হাজার এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকরা ২৫ হাজার টাকা করে মূল সম্মানী ভাতা পাবেন। এর মধ্যে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পঙ্গুত্বের মাত্রা অনুযায়ী ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’— চার শ্রেণিতে ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জীবিত ‘এ’ শ্রেণির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অতিরিক্ত সহায়ক ভাতা হিসেবে মাসে আরো ৮ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ফলে জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি মাসে মোট ৪৫ হাজার টাকা পাবেন। তবে তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকার সহায়ক ভাতা পাবেন না।
৬১ থেকে ৯৫ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘বি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মাসে ২৮ হাজার টাকা মূল ভাতা পাবেন। চিকিৎসা ও খাদ্য ভাতাসহ তার মোট মাসিক সুবিধা হবে ৩৫ হাজার টাকা।
১ থেকে ১৯ শতাংশ পঙ্গুত্বসম্পন্ন ‘ডি’ শ্রেণির যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার মূল ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা।
২ হাজার টাকা চিকিৎসা ও ৫ হাজার টাকা খাদ্য ভাতাসহ তার মাসিক মোট ভাতা হবে ২৭ হাজার টাকা।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে বছরে দুটি উৎসব ভাতার প্রতিটির পরিমাণ হবে তাদের নিজ নিজ মূল ভাতার সমান। জীবিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মহান বিজয় দিবসে ৫ হাজার এবং বাংলা নববর্ষে ২ হাজার টাকা করে পাবেন।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ সালের ধারা ৩ এর উপধারা (১)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত হারে ও শর্তে সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য উৎসব ভাতাদি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























