শনিবার রাতে প্রথম ঘটনাটি ঘটে জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমে ওয়েদেলা এলাকায়। একটি পানশালায় বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হন।
পর দিন রোববার ভোরে দ্বিতীয় হামলাটি হয় কেপটাউনের কাছে ল্যান্ডলে এলাকায়। সেখানে একটি দোকানে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত ও ১১ জন আহত হন।
এর মাত্র কয়েক দিন আগে ডারবান শহরের কাছে একটি বাড়িতে আয়োজিত পার্টিতে গুলি চালানোর ঘটনায় ১১ জন নিহত হন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও ছিলেন।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হামলার সময় কয়েকজন গ্রাহকের দেহ তল্লাশি করা হয়। তাদের মোবাইলফোনও নিয়ে নেওয়া হয়।
পরে দুটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায় সন্দেহভাজনরা। এ সময় আরো দুটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
পুলিশের ক্যাপ্টেন তিন্টসওয়ালো সিবেকো বলেন, আট সন্দেহভাজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশ এবং বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটগুলোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ ১৭টি হত্যা মামলা এবং ১৫টি হত্যাচেষ্টার মামলা করেছে। সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে আরো দুটি মামলা করা হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় দীর্ঘদিন ধরেই সহিংস অপরাধের হার অনেক বেশি। এর মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হত্যার ঘটনাও রয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘদিন ধরে চাপের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে বন্দুকের ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ কমাতে পুলিশ অতিরিক্ত অভিযান চালাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























