রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টাকা দিবস আজ

বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে কাগজি টাকার প্রচলন শুরুর মাধ্যমে বিজয় মুকুটের উজ্জ্বল পালকটি যুক্ত হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়। তার আগে এ দেশে পাকিস্তানের ব্যাংক নোট প্রচলিত ছিল এবং মুদ্রার নাম ছিল রুপি। স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা।

বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র। ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান। অন্যদিকে ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।

বুধবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কালেক্টার জানায়, ২০২১ সালের ৪ মার্চ প্রথম টাকা দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। চলতি বছরে কাগজি টাকা প্রচলনের সুবর্ণজয়ন্তীকে (১৯৭২-২০২২) সামনে রেখে ব্যাপক উদ্দীপনার সঙ্গে দিবসটি পালনের লক্ষ্য রয়েছে পত্রিকাটির। টাকা দিবস ঘিরে কালেক্টারের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ শুক্রবার (৪ মার্চ) ও শনিবার ( ৫ মার্চ) রাজধানীর ফার্মগেটে ৬৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে সংগ্রাহক মহাসমাবেশ (৫০তম), মেগা অকশন ও পুরস্কার বিতরণীসহ নানা আয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টাকা দিবস আজ

প্রকাশিত সময় : ০৩:১১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্থান করে নিয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে কাগজি টাকার প্রচলন শুরুর মাধ্যমে বিজয় মুকুটের উজ্জ্বল পালকটি যুক্ত হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়। তার আগে এ দেশে পাকিস্তানের ব্যাংক নোট প্রচলিত ছিল এবং মুদ্রার নাম ছিল রুপি। স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা।

বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র। ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান। অন্যদিকে ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।

বুধবার (২ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কালেক্টার জানায়, ২০২১ সালের ৪ মার্চ প্রথম টাকা দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। চলতি বছরে কাগজি টাকা প্রচলনের সুবর্ণজয়ন্তীকে (১৯৭২-২০২২) সামনে রেখে ব্যাপক উদ্দীপনার সঙ্গে দিবসটি পালনের লক্ষ্য রয়েছে পত্রিকাটির। টাকা দিবস ঘিরে কালেক্টারের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ শুক্রবার (৪ মার্চ) ও শনিবার ( ৫ মার্চ) রাজধানীর ফার্মগেটে ৬৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে সংগ্রাহক মহাসমাবেশ (৫০তম), মেগা অকশন ও পুরস্কার বিতরণীসহ নানা আয়োজন।