বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফের চিরচেনা রূপে ফিরছে ঢাকা

লঞ্চ থেকে সদরঘাটে নামছে মানুষ। ছবি: ফোকাস বাংলা

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা ছেড়েছিল মানুষ। সেই আনন্দ ও ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ফের রাজধানীমুখী হচ্ছে তারা।

আজ শুক্রবার সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। চাপ বেড়েছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে। সড়ক ছাড়া সদরঘাটেও অনেক চাপ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরছে। দূরপালার বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে সিএনজি, উবার ও পাঠাওয়ে শরণাপন্ন হচ্ছেন।

জিহাদ নামে এক সিএনজিচালক বলেন, ‘এতদিন মানুষের চাপ ছিল না। তবে আজ থেকে আবারও যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে মহাখালী থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি।’

 ভাড়ায় মোটরসাইকেলচালক সুজন মিয়া বলেন, ‘আজ থেকে সাধারণ মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। সকাল থেকে গাবতলী থেকে অনেকগুলো ট্রিপ পেয়েছি।’

 ঝিনাইদহ থেকে বাসে গাবতলী এসেছেন আশিক হোসেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এলাম কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। এমনকি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও কোনো যানজট ছিল না।

 এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায়, ঢাকাফেরা মানুষের ভিড়। তাদের কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। আবার কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে। কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ। তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 গত ১৬, ১৭, ১৮ জুন ছিল ঈদের ছুটি। ছুটি শেষে বুধবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য। কারণ, একদিন অফিস (বৃহস্পতিবার) করার পরই আবার শুক্র ও শনিবার (২২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটি শেষে আগামী রবিবার থেকে রাজধানী হয়তো ফিরে যাবে আগের রূপে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফের চিরচেনা রূপে ফিরছে ঢাকা

প্রকাশিত সময় : ১১:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ঢাকা ছেড়েছিল মানুষ। সেই আনন্দ ও ছুটি শেষে জীবিকার তাগিদে ফের রাজধানীমুখী হচ্ছে তারা।

আজ শুক্রবার সকাল থেকে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন। চাপ বেড়েছে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে। সড়ক ছাড়া সদরঘাটেও অনেক চাপ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ঢাকায় ফিরছে। দূরপালার বাস থেকে নেমে গন্তব্যে যেতে সিএনজি, উবার ও পাঠাওয়ে শরণাপন্ন হচ্ছেন।

জিহাদ নামে এক সিএনজিচালক বলেন, ‘এতদিন মানুষের চাপ ছিল না। তবে আজ থেকে আবারও যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে মহাখালী থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি।’

 ভাড়ায় মোটরসাইকেলচালক সুজন মিয়া বলেন, ‘আজ থেকে সাধারণ মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। সকাল থেকে গাবতলী থেকে অনেকগুলো ট্রিপ পেয়েছি।’

 ঝিনাইদহ থেকে বাসে গাবতলী এসেছেন আশিক হোসেন। তিনি বলেন, ঢাকায় এলাম কোনো ভোগান্তি ছাড়াই। এমনকি দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটেও কোনো যানজট ছিল না।

 এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা যায়, ঢাকাফেরা মানুষের ভিড়। তাদের কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ফিরছেন। আবার কেউ ফিরছেন পরিবার নিয়ে। কারও সঙ্গে রয়েছে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন জিনিসপত্রের ব্যাগ। তবে লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকামুখী এ যাত্রায় কোনো অনিয়ম বা বড় ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 গত ১৬, ১৭, ১৮ জুন ছিল ঈদের ছুটি। ছুটি শেষে বুধবার কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকে। তবে পুরোদমে ফেরেনি কর্মচাঞ্চল্য। কারণ, একদিন অফিস (বৃহস্পতিবার) করার পরই আবার শুক্র ও শনিবার (২২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটি। এই ছুটি শেষে আগামী রবিবার থেকে রাজধানী হয়তো ফিরে যাবে আগের রূপে।