বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ আরও ২ জনের মৃত্যু

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় রাজধানীতে চিকিৎসাধীন এক শিক্ষার্থীসহ আরও দুজন মারা গেছেন। আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে মারা যান রাজধানীর রামপুরা এলাকায় গুলিবিদ্ধ ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ ডালিম (২০) ও বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মারা যান যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগে গুলিবিদ্ধ মাইনুদ্দিন (২৫)।

নিহত ইমতিয়াজের বাবা নওশের আলী জানান, তাদের বাড়ি যশোর জেলার ঝিকড়গাছা উপজেলায়। ইমতিয়াজ তেজগাঁওয়ে অবস্থিত সাউথ ইষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ত। থাকত রামপুরার বনশ্রী এলাকায়। গত ১৯ জুলাই ইমতিয়াজ রামপুরা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়। পরে পথচারীরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। দুই ভাই-বোনের মধ্যে সে ছিল বড়।

নিহত মাইনুদ্দিনের মা মাহফুজা বেগম জানান, ‌তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে। তার ছেলে মাইনুদ্দিন স্ত্রী মায়মুনা আক্তারকে নিয়ে যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ এলাকায় থাকত। সেখানে একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত এবং টিউশনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। গত ২১ জুলাই মাইনুদ্দিন রায়েরবাগ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া ইমতিয়াজ ও মাইনুদ্দিনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, নিহত ইমতিয়াজ ঊরুতে দুটি ও মাইনুদ্দিন পিঠ ও গলায় গুলিবিদ্ধ হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ আরও ২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত সময় : ০৫:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় রাজধানীতে চিকিৎসাধীন এক শিক্ষার্থীসহ আরও দুজন মারা গেছেন। আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে মারা যান রাজধানীর রামপুরা এলাকায় গুলিবিদ্ধ ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ ডালিম (২০) ও বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মারা যান যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগে গুলিবিদ্ধ মাইনুদ্দিন (২৫)।

নিহত ইমতিয়াজের বাবা নওশের আলী জানান, তাদের বাড়ি যশোর জেলার ঝিকড়গাছা উপজেলায়। ইমতিয়াজ তেজগাঁওয়ে অবস্থিত সাউথ ইষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ত। থাকত রামপুরার বনশ্রী এলাকায়। গত ১৯ জুলাই ইমতিয়াজ রামপুরা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়। পরে পথচারীরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। দুই ভাই-বোনের মধ্যে সে ছিল বড়।

নিহত মাইনুদ্দিনের মা মাহফুজা বেগম জানান, ‌তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে। তার ছেলে মাইনুদ্দিন স্ত্রী মায়মুনা আক্তারকে নিয়ে যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ এলাকায় থাকত। সেখানে একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত এবং টিউশনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। গত ২১ জুলাই মাইনুদ্দিন রায়েরবাগ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া ইমতিয়াজ ও মাইনুদ্দিনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, নিহত ইমতিয়াজ ঊরুতে দুটি ও মাইনুদ্দিন পিঠ ও গলায় গুলিবিদ্ধ হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।