শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানায় বাংলাদেশ। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।রোববার (১৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুইজারল্যান্ডের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।ড. মোমেন সুইস রাষ্ট্রদূতকে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় অনেক প্রতিবেশী দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে, তা থেকে বেশি লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।তিনি বাংলাদেশে আরও সুইস বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের মধ্যে আদান-প্রদানের ওপর জোর দেন।সুইস রাষ্ট্রদূত ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুইজারল্যান্ড সফরের কথা স্মরণ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, গত বছর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা সন্তোষজনক। উভয় দেশের মধ্যে আরও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে।

সুইস রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসই প্রত্যাবাসনে তার সরকারের সহায়তার আশ্বাস দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে সহায়তার জন্য সুইস সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে সুইস সহায়তার প্রত্যাশা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ০৮:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানায় বাংলাদেশ। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।রোববার (১৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুইজারল্যান্ডের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।ড. মোমেন সুইস রাষ্ট্রদূতকে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় অনেক প্রতিবেশী দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে, তা থেকে বেশি লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।তিনি বাংলাদেশে আরও সুইস বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের মধ্যে আদান-প্রদানের ওপর জোর দেন।সুইস রাষ্ট্রদূত ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুইজারল্যান্ড সফরের কথা স্মরণ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, গত বছর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা সন্তোষজনক। উভয় দেশের মধ্যে আরও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে।

সুইস রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসই প্রত্যাবাসনে তার সরকারের সহায়তার আশ্বাস দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটে সহায়তার জন্য সুইস সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে সুইস সহায়তার প্রত্যাশা করেন।