মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হানিফ ফ্লাইওভারে গুলিতে তরুণ নিহত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিতে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে মৃত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন কয়েকজন। পরে তার মরদেহ হাসপাতালের ভেতরে নিয়ে গিয়ে অটোরিকশায় করে নিয়ে চলে যান তারা। নিহতের নাম সিয়াম (১৮)। তার গ্রামের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনে। বর্তমানে সে মাতুয়াইলে থাকতো।

সিয়ামের খালাতো ভাই রাসেল বলেন, সিয়াম গুলিস্তানের একটি ব্যাটারির দোকানের কর্মচারী। রাতে বাসায় ফেরার পথে হানিফ ফ্লাওয়ারে সংঘর্ষ চলাকালে সে গুলিবিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিয়াম মারা যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলেও আমরা আর ভেতরে ঢুকিনি। মরদেহ অটোরিকশায় করে বাসায় চলে যাচ্ছি।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, যাত্রাবাড়ী হানিফ ফ্লাইওভারে গুলিতে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে তারা বুঝতে পারেন যে, সিয়াম মারা গেছে। এ জন্য তারা আর হাসপাতালের ভেতরে না ঢুকে মরদেহ নিয়ে চলে যান।

উল্লেখ্য, বুধবার রাতে যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশের গুলিতে বাসার ফটকে থাকা বাবা ও তার দুই বছরের শিশু সন্তানসহ ৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়। এতে স্থানীয় এলাকাবাসীও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধরা মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাসহ যাত্রাবাড়ী-সায়দাবাদ সড়কের বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিসংযোগ করে। এতে সংঘর্ষ আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে নিহত সিয়াম গুলিবিদ্ধ হন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

হানিফ ফ্লাইওভারে গুলিতে তরুণ নিহত

প্রকাশিত সময় : ১২:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিতে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে মৃত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন কয়েকজন। পরে তার মরদেহ হাসপাতালের ভেতরে নিয়ে গিয়ে অটোরিকশায় করে নিয়ে চলে যান তারা। নিহতের নাম সিয়াম (১৮)। তার গ্রামের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনে। বর্তমানে সে মাতুয়াইলে থাকতো।

সিয়ামের খালাতো ভাই রাসেল বলেন, সিয়াম গুলিস্তানের একটি ব্যাটারির দোকানের কর্মচারী। রাতে বাসায় ফেরার পথে হানিফ ফ্লাওয়ারে সংঘর্ষ চলাকালে সে গুলিবিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিয়াম মারা যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলেও আমরা আর ভেতরে ঢুকিনি। মরদেহ অটোরিকশায় করে বাসায় চলে যাচ্ছি।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, যাত্রাবাড়ী হানিফ ফ্লাইওভারে গুলিতে এক যুবককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে তারা বুঝতে পারেন যে, সিয়াম মারা গেছে। এ জন্য তারা আর হাসপাতালের ভেতরে না ঢুকে মরদেহ নিয়ে চলে যান।

উল্লেখ্য, বুধবার রাতে যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশের গুলিতে বাসার ফটকে থাকা বাবা ও তার দুই বছরের শিশু সন্তানসহ ৬ জন গুলিবিদ্ধ হয়। এতে স্থানীয় এলাকাবাসীও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধরা মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাসহ যাত্রাবাড়ী-সায়দাবাদ সড়কের বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিসংযোগ করে। এতে সংঘর্ষ আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে নিহত সিয়াম গুলিবিদ্ধ হন।