বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষ ও প্রযুক্তি সচেতন মানবসম্পদ তৈরিই বর্তমান শিক্ষার মূল লক্ষ্য

শুধু ডিগ্রি প্রদান করা না হয়ে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-সচেতন মানবসম্পদ গড়ে তোলাই বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব বর্তমানে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং স্বয়ংক্রিয়করণ প্রক্রিয়া আমাদের বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থাকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘এনডব্লিউপিজিসিএল বুয়েট রোবো কার্নিভাল ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আবরার বলেন, ‘রোবো কার্নিভাল শুধু একটি প্রদর্শনী নয়। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার সক্ষমতা বাড়াবে।

একই সঙ্গে গবেষণা ও শিল্প খাতের বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আমাদের নিজস্ব গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করতে হবে। এ জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিল্প খাতের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি।’

অনুষ্ঠানে বুয়েটের উপাচার্য, সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনবৃন্দ, এনডব্লিউপিজিসিএল-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

দক্ষ ও প্রযুক্তি সচেতন মানবসম্পদ তৈরিই বর্তমান শিক্ষার মূল লক্ষ্য

প্রকাশিত সময় : ০৮:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শুধু ডিগ্রি প্রদান করা না হয়ে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-সচেতন মানবসম্পদ গড়ে তোলাই বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব বর্তমানে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং স্বয়ংক্রিয়করণ প্রক্রিয়া আমাদের বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থাকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘এনডব্লিউপিজিসিএল বুয়েট রোবো কার্নিভাল ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. আবরার বলেন, ‘রোবো কার্নিভাল শুধু একটি প্রদর্শনী নয়। এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার সক্ষমতা বাড়াবে।

একই সঙ্গে গবেষণা ও শিল্প খাতের বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আমাদের নিজস্ব গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করতে হবে। এ জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিল্প খাতের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি।’

অনুষ্ঠানে বুয়েটের উপাচার্য, সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনবৃন্দ, এনডব্লিউপিজিসিএল-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।