বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত কেনায় পাম্পের তেল আগেই শেষ হচ্ছে

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে জ্বালানি তেল সংকট নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনতে শুরু করায় পাম্পগুলোতে সময়ের আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

তিনি দেশবাসীর প্রতি সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করলেই সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। সবাই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাবেন, শঙ্কার কোনো কারণ নেই।
মন্ত্রী আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তেল কেনার প্রবণতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে, যা সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। আমরা বারবার বলছি তেল আছে, সবাই তেল পাবেন। কিন্তু অতিরিক্ত কেনাকাটার কারণে পাম্পে আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে বলেন তিনি।
ঈদযাত্রার উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় লাখো মানুষ বাড়ি গেছেন। কোথাও কি তেলের অভাবে বাস চলাচল বন্ধ হয়েছে? ঈদ নির্বিঘ্নেই কেটেছে। তাহলে বোঝা যায়, প্রকৃত সংকট নেই—বরং মানুষের আচরণই এই

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিজস্ব উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল নয়, অধিকাংশ জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবও বাজারে পড়ে। পৃথিবীতে নানা ধরনের অস্থিরতা চলছে। তাই আমাদের সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নয়।

জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। সরকার এখনো তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

অতিরিক্ত কেনায় পাম্পের তেল আগেই শেষ হচ্ছে

প্রকাশিত সময় : ০২:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে জ্বালানি তেল সংকট নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, দেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনতে শুরু করায় পাম্পগুলোতে সময়ের আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

তিনি দেশবাসীর প্রতি সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করলেই সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। সবাই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাবেন, শঙ্কার কোনো কারণ নেই।
মন্ত্রী আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তেল কেনার প্রবণতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে, যা সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। আমরা বারবার বলছি তেল আছে, সবাই তেল পাবেন। কিন্তু অতিরিক্ত কেনাকাটার কারণে পাম্পে আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে বলেন তিনি।
ঈদযাত্রার উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় লাখো মানুষ বাড়ি গেছেন। কোথাও কি তেলের অভাবে বাস চলাচল বন্ধ হয়েছে? ঈদ নির্বিঘ্নেই কেটেছে। তাহলে বোঝা যায়, প্রকৃত সংকট নেই—বরং মানুষের আচরণই এই

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিজস্ব উৎপাদনের ওপর নির্ভরশীল নয়, অধিকাংশ জ্বালানি তেল আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবও বাজারে পড়ে। পৃথিবীতে নানা ধরনের অস্থিরতা চলছে। তাই আমাদের সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নয়।

জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। সরকার এখনো তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।