সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি, কমলো তাপমাত্রা

টানা তাপপ্রবাহের পর রাজধানীতে বৃষ্টির দেখা মিলেছে। পুরান ঢাকার সূত্রাপুর, বংশাল, মাতুয়াইল, রামপুর, বাড্ডা, কারওয়ানবাজর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে। কোথাও হালকা আবার কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘলা থাকলেও  বিকাল ৪টা বা সোয়া ৪টা নাগাদ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন নগরবাসী। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ, রিকশাচালক, দিনমজুর ও পথচারীদের দুর্ভোগ ছিল চরমে। এদিন বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসায় স্বস্তি অনুভব করছেন রাজধানীবাসী।

এদিকে রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দিনের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা সামান্য কমতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

তাপ প্রবাহের বিষয়ে বলা হয়, ঢাকা, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, পটুয়াখালী, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, বান্দরবান ও ফেণী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের উত্তরাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হতে পারে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার (২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (১৮৮ মিলিমিটার (২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরির শঙ্কা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

অবশেষে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি, কমলো তাপমাত্রা

প্রকাশিত সময় : ০৬:০৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

টানা তাপপ্রবাহের পর রাজধানীতে বৃষ্টির দেখা মিলেছে। পুরান ঢাকার সূত্রাপুর, বংশাল, মাতুয়াইল, রামপুর, বাড্ডা, কারওয়ানবাজর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে। কোথাও হালকা আবার কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।

রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘলা থাকলেও  বিকাল ৪টা বা সোয়া ৪টা নাগাদ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন নগরবাসী। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ, রিকশাচালক, দিনমজুর ও পথচারীদের দুর্ভোগ ছিল চরমে। এদিন বৃষ্টির পর তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসায় স্বস্তি অনুভব করছেন রাজধানীবাসী।

এদিকে রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দিনের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা সামান্য কমতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

তাপ প্রবাহের বিষয়ে বলা হয়, ঢাকা, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, পটুয়াখালী, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, বান্দরবান ও ফেণী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের উত্তরাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হতে পারে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার (২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (১৮৮ মিলিমিটার (২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরির শঙ্কা রয়েছে।