নির্বাচনি এলাকা (ভোটার স্থানান্তর) পরিবর্তনের আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ভোটারদের আর আবেদন জমা দিতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে সরাসরি যেতে হবে না। একই সঙ্গে এ সেবার জন্য নির্ধারিত ফি আরোপের বিষয়টিও বিবেচনা করছে ইসি।
সোমবার (২২ জুন) অনুষ্ঠিত ইসির মাসিক সমন্বয় সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সভা সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ এবং সম্ভাব্য ফি নির্ধারণের বিষয়ে একটি প্রস্তাব তৈরি করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইসির সিনিয়র সচিবের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
সভায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন ফি পুনর্নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
এনআইডি সংশোধনের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ের তদন্তের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “ভোটার স্থানান্তরের আবেদন অনলাইনে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এনআইডি সংশোধন ফি পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি বিবেচনাধীন।”
এ ছাড়া নতুন ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম সারা বছর অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকাসহ নির্দেশিকাও জারি করা হবে। পাশাপাশি জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ভোটার তথ্য আপলোড, যাচাই ও তদারকি কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, যেসব ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপ নেওয়া সম্ভব হয় না, সেখানে পরিচয় যাচাইয়ে আইরিস শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রযুক্তিটি চালু না হওয়া পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়ার ক্ষমতা প্রদানের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 





















