বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও ২টি চুক্তি সই হয়েছে। দু’দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তাদের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।

222প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য লি কিয়াং (Li Qiang) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘লাল গালিচা’ সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।এসময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশাবাদী দুই দেশ।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আগামীকাল স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উভয় বৈঠকেই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী।

মাহদী আমিন বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।

এ ছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর সহযোগিতা প্রতিষ্ঠাও সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও ২টি চুক্তি সই হয়েছে। দু’দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তাদের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হয়।

222প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য লি কিয়াং (Li Qiang) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘লাল গালিচা’ সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই সংবর্ধনা ও ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।এসময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশাবাদী দুই দেশ।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আগামীকাল স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উভয় বৈঠকেই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী।

মাহদী আমিন বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করা, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।

এ ছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য খাতে কার্যকর সহযোগিতা প্রতিষ্ঠাও সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।