শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো ইসরায়েলে সরানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ইসরায়েলে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাহরাইনে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন নৌঘাঁটির সংস্কার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু সামরিক স্থাপনা ইসরায়েলে স্থানান্তর করা হতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত পঞ্চম মার্কিন নৌবহরের সদর দপ্তরসহ একাধিক সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো প্রকাশ করেনি পেন্টাগন।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ মার্কিন ভোটার মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কাঙ্ক্ষিত ফল আনতে পারেনি। এছাড়া ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন, যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা সত্ত্বেও ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা এখনো রয়ে গেছে। এ বিষয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের সমর্থকদের মতামতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

তামান্নার খোলামেলা ভিডিও ভাইরাল, উত্তাল নেটদুনিয়া!

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো ইসরায়েলে সরানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত সময় : ০৬:৪০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ইসরায়েলে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাহরাইনে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন নৌঘাঁটির সংস্কার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু সামরিক স্থাপনা ইসরায়েলে স্থানান্তর করা হতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত পঞ্চম মার্কিন নৌবহরের সদর দপ্তরসহ একাধিক সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো প্রকাশ করেনি পেন্টাগন।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৬০ শতাংশ মার্কিন ভোটার মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কাঙ্ক্ষিত ফল আনতে পারেনি। এছাড়া ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন, যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা সত্ত্বেও ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা এখনো রয়ে গেছে। এ বিষয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের সমর্থকদের মতামতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই।