মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের বড় ধরনের ড্রোন হামলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাবহর ও হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে একযোগে একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি সেনাবাহিনী। সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রথম প্রহরে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ইরানের বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ জানায়, দেশটির ঐতিহাসিক লারাক দ্বীপে সম্প্রতি মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসন এবং এতে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্য ও সাধারণ ইরানি নাগরিকদের মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তর থেকে জারি করা বিবৃতিতে আল মিনহাদ ঘাঁটিকে বিদেশী বাহিনীর একটি প্রধান লজিস্টিকস ও বিমান পরিবহন হাব হিসেবে অভিহিত করা হয়। মার্কিন অবস্থানগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধনের লক্ষ্য নিয়ে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল বলে সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে।

শীর্ষ সংবাদ

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আঞ্চলিক হুমকি সম্পূর্ণ দূর না হওয়া পর্যন্ত এবং দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইরানি বাহিনী দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবে। আমেরিকান সন্ত্রাসী বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি হিসেবে প্রতিটি শহীদের রক্তের বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

সূত্র: মেহের নিউজ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

আমিরাতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের বড় ধরনের ড্রোন হামলা

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অবস্থিত আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাবহর ও হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে একযোগে একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানি সেনাবাহিনী। সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রথম প্রহরে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ইরানের বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ জানায়, দেশটির ঐতিহাসিক লারাক দ্বীপে সম্প্রতি মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসন এবং এতে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সদস্য ও সাধারণ ইরানি নাগরিকদের মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তর থেকে জারি করা বিবৃতিতে আল মিনহাদ ঘাঁটিকে বিদেশী বাহিনীর একটি প্রধান লজিস্টিকস ও বিমান পরিবহন হাব হিসেবে অভিহিত করা হয়। মার্কিন অবস্থানগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধনের লক্ষ্য নিয়ে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল বলে সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে।

শীর্ষ সংবাদ

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আঞ্চলিক হুমকি সম্পূর্ণ দূর না হওয়া পর্যন্ত এবং দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ইরানি বাহিনী দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবে। আমেরিকান সন্ত্রাসী বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি হিসেবে প্রতিটি শহীদের রক্তের বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

সূত্র: মেহের নিউজ।