রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিচয় মিলল এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় উদ্ধার মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম ইসমাইল হোসেন (৫০)।

তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। ইসমাইল গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বসবাস করতেন।

আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ইসমাইলের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে বলে জানান বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম।

ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে ইসমাইল বেকার ছিলেন।

জামালপুরে ইসমাইলের পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি (ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন কয়েকটি গাড়ি শনাক্ত করা হয়েছে। ইসমাইলকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে সন্দেহভাজন গাড়িগুলোর যেকোনো একটি থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গাড়িগুলো আটক করা গেলে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা যাবে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে বনানী এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। পরনে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ছিল। পরনে ছিল লুঙ্গি।

ইসমাইলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

পরিচয় মিলল এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের

প্রকাশিত সময় : ১০:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় উদ্ধার মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম ইসমাইল হোসেন (৫০)।

তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। ইসমাইল গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বসবাস করতেন।

আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ইসমাইলের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে বলে জানান বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম।

ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে ইসমাইল বেকার ছিলেন।

জামালপুরে ইসমাইলের পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি (ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন কয়েকটি গাড়ি শনাক্ত করা হয়েছে। ইসমাইলকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে সন্দেহভাজন গাড়িগুলোর যেকোনো একটি থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গাড়িগুলো আটক করা গেলে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা যাবে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে বনানী এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মুখে স্কচটেপ লাগানো ছিল। পরনে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ছিল। পরনে ছিল লুঙ্গি।

ইসমাইলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।